বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সম্পর্কের বরফ গলাতে উদ্যোগ: দিল্লিতে বাংলাদেশ–ভারতের জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠক কাল

Reporter Name

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক পুনরায় স্বাভাবিক করার জোরালো উদ্যোগ হিসেবে বাংলাদেশ ও ভারতের বাণিজ্য এবং কনস্যুলার বিষয়ক যৌথ কার্যনির্বাহী দলের বৈঠক আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে আগামী ৮ ও ৯ অক্টোবর বাণিজ্যবিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। যাতায়াতসংক্রান্ত কিছু প্রাথমিক জটিলতার কারণে নির্ধারিত সূচিতে সামান্য পরিবর্তন আনা হলেও বৈঠকের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। এই বৈঠকের মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী রাষ্ট্রের মধ্যকার স্থগিত থাকা প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক আলোচনা পুনরায় সচল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাণিজ্যবিষয়ক বৈঠকে অংশ নেওয়ার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নয়াদিল্লি পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে মঙ্গলবার প্রতিনিধি দলটির দেশ ছাড়ার কথা থাকলেও লজিস্টিক কারণে তা এক দিন পেছানো হয়। তবে শুধু বাণিজ্য আলোচনাই নয়, এর পাশাপাশি কনস্যুলার বিষয়ক জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠকটি ঢাকায় আয়োজনের বিষয়েও দুই দেশের কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণ এবং ভিসা-সংক্রান্ত জটিলতা দূর করার ক্ষেত্রে এই কনস্যুলার বৈঠকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।

দুই দেশের সম্পর্কের বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রাতিষ্ঠানিক অংশীদারত্ব জোরালো করার লক্ষ্যেই এই কূটনৈতিক বৈঠকগুলোর আয়োজন করা হচ্ছে। তবে বাণিজ্য ও কনস্যুলার বিষয়ের পাশাপাশি সীমান্ত বাণিজ্য এবং ট্রানজিটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সুরাহা করার জন্য আরও নিবিড় আলোচনার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বাণিজ্যসচিব পর্যায়ের বৈঠকের প্রস্তাব দেওয়া হলেও, ভারত জানিয়েছে যে অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক বৈঠক ও মাঠপর্যায়ের কাজ শেষ হওয়ার পরই কেবল সচিব পর্যায়ের বৈঠক আয়োজন করা সম্ভব হবে। সামগ্রিকভাবে এসব আলোচনার মাধ্যমে পারস্পরিক আস্থার সংকট কাটিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে স্বস্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা চলছে।

উল্লেখ্য, গত বছর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে ঢাকা ও দিল্লির সম্পর্কে এক ধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছিল। পরবর্তী সময়ে দুই দেশের তরফ থেকেই বরফ গলাার কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয় এবং বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগের পথ উন্মুক্ত হয়। তবে বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক বৈঠক আয়োজনের উদ্যোগ চলমান থাকলেও দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আনুষ্ঠানিক সফর ও সময়সূচি নির্ধারণের বিষয়টি নানা ব্যস্ততার কারণে কিছুটা ঝুলে রয়েছে। বিশেষ করে কূটনৈতিক ব্যস্ততা এবং দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের আন্তর্জাতিক সফরের সূচি চূড়ান্ত না হওয়ায় উচ্চপর্যায়ের সম্ভাব্য সফরগুলোর দিনক্ষণ নিয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page