রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ফের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম বাড়ল এআই ব্যবহার করে জাহ্নবীর অশালীন ভিডিও তৈরি, সমালোচনার ঝড় কিয়েভে জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের পরপরই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে রাশিয়ার হামলা মাদ্রাসার অধ্যক্ষের কক্ষে যৌন উত্তেজক ওষুধ ও সরঞ্জাম, অপসারণ দাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মেজর আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার ও অপমানের নিন্দা জামায়াত আমিরের আফগানিস্তানে ৭০ মিটার গভীর কূপে নেমে ৫ বছরের শিশুকে বাঁচাল ১১ বছরের ওমর জনসংখ্যা সংকট ঠেকাতে সিঙ্গাপুরে সরকারি ডেটিং অ্যাপ চালু শাহজালালে দুই বিমানকর্মীর জুতায় মিলল ৮০টি সোনার বার যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে ইতিহাস গড়ে ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ফুটবলার প্রশান্ত মহাসাগরের তলদেশে আবিষ্কৃত ভাইরাসের ৯৯ শতাংশই বিজ্ঞানীদের অজানা

কিয়েভে জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের পরপরই গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে রাশিয়ার হামলা

Reporter Name

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে অত্যন্ত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে জার্মান চ্যান্সেলরের সফরের ঠিক পরপরই তীব্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। কিয়েভে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গেই শহরজুড়ে বিমান হামলার সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে, যা পুরো পরিস্থিতিকে চরম উত্তেজনাকর করে তোলে। রুশ বাহিনীর পক্ষ থেকে ড্রোন হামলার আশঙ্কা তৈরি হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দাদের দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউক্রেনের প্রতি সংহতি প্রকাশ এবং দ্বিপক্ষীয় নানা বিষয় নিয়ে আলোচনার উদ্দেশ্যে এই আকস্মিক সফর করেন জার্মানির শীর্ষ এই নেতা। তবে চ্যান্সেলরের কিয়েভ পৌঁছানোর ঠিক আগ মুহূর্তে বা ঠিক পরপরই এমন হামলা বুঝিয়ে দেয় যে রাজধানী এলাকায় নিরাপত্তা ঝুঁকি এখনো কতটা প্রকট। কূটনৈতিক এই গুরুত্বপূর্ণ সফরের সময় রুশ বাহিনীর এমন আক্রমণ আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।

এর আগেও বিদেশি শীর্ষ নেতারা কিয়েভ সফর করার সময় হামলার ঘটনা ঘটেছে, যা ইউক্রেনের সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতির কঠিন বাস্তবতাকে বারবার সামনে নিয়ে আসে। কিয়েভের প্রশাসন এবং নিরাপত্তা বাহিনীর পক্ষ থেকে বিদেশি অতিথিদের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা নেওয়া হলেও আকস্মিক এই ড্রোন হামলার কারণে স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটে। বিমান হামলার সতর্কতা জারি হওয়ার পর শহরের জনজীবন মুহূর্তের জন্য থমকে যায় এবং মানুষ ভূগর্ভস্থ আশ্রয়কেন্দ্রে চলে যেতে বাধ্য হয়।

এই হামলার ফলে কিয়েভের অবকাঠামো বা কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত কোনো তথ্য জানা যায়নি। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করে যে চলমান সংঘাতের মাঝেও ইউক্রেনের প্রধান কৌশলগত ও রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোতে যেকোনো সময় বড় ধরনের হামলা চালাতে পিছপা হচ্ছে না রুশ বাহিনী। কিয়েভ সফররত জার্মান চ্যান্সেলরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই পরিস্থিতি ইউক্রেনীয় ও জার্মান উভয় পক্ষের জন্যই বড় একটি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page