শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩৪ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
নারীর প্রতি সহানুভূতি: ইসলাম কীভাবে মূল্যায়ন করে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে এআইইউবি যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তিন দিনে তিন কিশোরীর মৃত্যু তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরি খোঁজার কাগজ দেওয়া হবে না: ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ১০ দিন ধরে অচল চুয়েট রোনালদো ছাড়লেন পর্তুগালের ক্যাম্প, পর্তুগালের ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে গেলেন ৫ লাখ অনুসারী হাড় ভাঙা ঠেকাতে ক্যালসিয়াম-ভিটামিন ডির সুফল নেই—দাবি নতুন গবেষণায় আন্তর্জাতিক কফি দিবস: আপনিও কি ‘কফি হাউস’ গানের রমা, সুজাতা, মঈদুল, নিখিলেশ আর অমলের সঙ্গে নিজের মিল খুঁজছেন?

যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক

Reporter Name

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশটির সাধারণ মানুষের মধ্যে অর্থনৈতিক সংকট নিয়ে উদ্বেগ দিন দিন তীব্র আকার ধারণ করছে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি জনমত জরিপে উঠে এসেছে যে, দেশের প্রায় সত্তর শতাংশ নাগরিক মূল্যস্ফীতি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিকেই তাদের জীবনের সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন। সাধারণ মানুষের এই ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনেও বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে, যা আগামী নির্বাচনের ফলাফলের ওপর জোরালো প্রভাব রাখতে পারে।

জরিপে অংশ নেওয়া সিংহভাগ উত্তরদাতা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে সরাসরি দায়ী করেছেন। তাদের মতে, ট্রাম্পের পূর্ববর্তী নীতি ও অর্থনৈতিক সিদ্ধান্তগুলোর কারণে বাজারে বর্তমান এই অস্থিতিশীলতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মুদি দোকান থেকে শুরু করে জ্বালানি তেল এবং দৈনন্দিন ব্যবহারের প্রতিটি পণ্যের দাম নাগালের বাইরে চলে যাওয়ার পেছনে ট্রাম্পের নীতিগত ভূমিকা রয়েছে বলে মনে করছেন এই ভোটাররা।

নির্বাচনের দিন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচারাভিযানেও অর্থনীতি ও মূল্যস্ফীতির বিষয়টি প্রধান এজেন্ডা হিসেবে উঠে আসছে। সাধারণ মানুষের এই আর্থিক দুর্ভোগকে পুঁজি করে বিরোধী দলগুলো বর্তমান প্রশাসনের পাশাপাশি সাবেক প্রেসিডেন্টকে লক্ষ্য করে নানামুখী সমালোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। ভোটারদের এই ক্ষোভ ও হতাশা শেষ পর্যন্ত ব্যালট বাক্সে কীভাবে প্রতিফলিত হয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মার্কিন অর্থনীতির এই সংকট কেবল কোনো একক নেতার কারণে তৈরি হয়নি, এর পেছনে বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ নানা জটিল অর্থনৈতিক কারণ রয়েছে। তবে রাজনৈতিক ময়দানে ভোটারদের সহানুভূতি অর্জনের জন্য নিত্যপণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রার মান উন্নত করার বিষয়টিকে এই মুহূর্তে প্রার্থীরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলা চলে, এবারের নির্বাচনে মুদ্রাস্ফীতিই নির্ধারণ করে দেবে মার্কিন রাজনীতির পরবর্তী গতিপথ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page