শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
প্রাথমিক বিদ্যালয়: ৭০৭টি স্কুলে ৬০৫ শিক্ষকের পদ শূন্য, পিছিয়ে শিক্ষার্থীরা ইসলামী আন্দোলন ও সাহিত্যে মাওলানা আবদুর রহীমের অবদান স্মরণীয় নারীর প্রতি সহানুভূতি: ইসলাম কীভাবে মূল্যায়ন করে বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শীর্ষ অবস্থানে এআইইউবি যুক্তরাষ্ট্রে নিত্যপণ্যের বাড়তি দামের জন্য ট্রাম্পকে দায়ী করছেন বেশির ভাগ নাগরিক ফতুল্লায় মাদ্রাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্টের ঘটনায় তিন দিনে তিন কিশোরীর মৃত্যু তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে জানে মাত্র ১০.৫% মানুষ গ্রামীণ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চাকরি খোঁজার কাগজ দেওয়া হবে না: ড. মুহাম্মদ ইউনূস শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ১০ দিন ধরে অচল চুয়েট রোনালদো ছাড়লেন পর্তুগালের ক্যাম্প, পর্তুগালের ইনস্টাগ্রাম ছেড়ে গেলেন ৫ লাখ অনুসারী

নারীর প্রতি সহানুভূতি: ইসলাম কীভাবে মূল্যায়ন করে

Reporter Name

ইসলাম ধর্মে নারীর মর্যাদা, অধিকার এবং সুরক্ষা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাক-ইসলামিক যুগের অন্ধকার দূর করে ইসলামই প্রথম সমাজে নারীদের পূর্ণাঙ্গ সামাজিক ও অর্থনৈতিক স্বাধীনতা প্রদান করে। কুরআন ও হাদিসের বিভিন্ন নির্দেশনায় নারীর প্রতি সম্মান প্রদর্শনের ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। ফলে নারীর নিরাপত্তা ও কল্যাণের জন্য কেউ যদি মনে গভীর সমবেদনা বা কষ্ট অনুভব করেন, তবে তা কোনোভাবেই পাপের কাজ হিসেবে গণ্য হয় না। বরং এটি মানুষের স্বাভাবিক সহানুভূতিশীল মনের একটি মানবিক ও ইতিবাচক প্রকাশ হিসেবে বিবেচিত হয়।

তবে বর্তমান সময়ে অনেক সময় নারীর সুরক্ষা ও অধিকারের বিষয়টি নিয়ে নানা ধরনের মনস্তাত্ত্বিক ও আদর্শগত বিতর্ক তৈরি হতে দেখা যায়। ইসলামি নীতিশাস্ত্রে পুরুষবিদ্বেষ বা কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গের প্রতি অন্ধ শত্রুতার স্থান নেই। ভারসাম্যপূর্ণ সমাজব্যবস্থা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ইসলাম পারস্পরিক সহযোগিতা ও সহমর্মিতাকে উৎসাহিত করে। সুতরাং, কোনো ধরনের উগ্রতা বা পক্ষপাতিত্ব না রেখে কেবল নারীর নিরাপত্তা ও মঙ্গলের জন্য কষ্ট পাওয়া সম্পূর্ণ ইসলামসম্মত এবং এটি মানবীয় নৈতিকতারই অংশ।

পবিত্র কুরআন ও মহানবীর (সা.) বাণীতে নারীদের প্রতি সদাচরণ করার জন্য বারবার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। মা, বোন, স্ত্রী কিংবা কন্যা—প্রতিটি ভূমিকাতেই নারীর বিশেষ অধিকার ও মর্যাদার কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। কোনো নারীর ওপর অবিচার কিংবা নিপীড়ন দেখলে একজন মুমিনের মনে ব্যথাবোধ জাগাটাই ঈমানের স্বাভাবিক দাবি। ইসলাম কখনো অন্যায়ের নীরব দর্শক হতে শেখায় না, বরং যেকোনো ধরনের নির্যাতন বা শোষণের বিরুদ্ধে নৈতিক অবস্থান নিতে উদ্বুদ্ধ করে।

সবশেষে বলা যায়, ইসলামে নারীর প্রতি অতিরিক্ত সমবেদনা বা তাদের সুরক্ষার আকুতি কোনো অপরাধ বা পাপের কারণ নয়, বরং এটি একটি সুস্থ ও সংবেদনশীল বিবেকের পরিচায়ক। উগ্রবাদী বা দ্বেষমূলক চিন্তাধারা থেকে দূরে থেকে, ইসলামি অনুশাসনের আলোকেই নারীর প্রকৃত অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব। সমাজের প্রতিটি স্তরে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল নারীর প্রতি সঠিক সম্মান ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করা যেতে পারে বলে মনে করেন ইসলামী চিন্তাবিদরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page