বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সেন্টমার্টিন ভ্রমণে বিধিনিষেধে কোন ধরনের পরিবর্তন আসছে? যুক্তরাজ্যে উচ্চশিক্ষা: চেভেনিং বৃত্তিতে পড়ার সুযোগ আজ বাংলাদেশের ইন্দোনেশিয়া পরীক্ষা ভারতে মসজিদ-মাদরাসা ধ্বংসের আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চাইল শিবির পেটের ভেতরে গজ রেখেই সেলাই, রোগীর মৃত্যু যন্ত্রপাতি থাকলেও টেকনিশিয়ানের অভাবে ১৮ বছর বন্ধ এক্স-রে সেবা ৮ হাজার কোটির পাইপলাইন: চালুর আগেই শেষ গ্যারান্টির মেয়াদ বগুড়ার শেরপুর: হাজারো মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে চক্র বহিষ্কার হওয়ার এক বছর পর জানা গেল, আম্মার ছাত্রশিবিরের ‘সাথি’ ছিলেন ছোট পর্দায় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের সেমিফাইনাল ম্যাচের সঙ্গে থাকছে ফুটবলের রোমাঞ্চ

ভারতে মসজিদ-মাদরাসা ধ্বংসের আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ চাইল শিবির

Reporter Name

প্রতিবেশী দেশ ভারতে ঐতিহাসিক মসজিদ, মাদরাসা এবং ওয়াকফ সম্পত্তি ধ্বংস করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন স্থানে উচ্ছেদ অভিযาน ও সড়ক সম্প্রসারণের নামে শতাব্দীপ্রাচীন মুসলিম ধর্মীয় স্থাপনা ভেঙে ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটি। একই সঙ্গে ভারতীয় মুসলমানদের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষায় জাতিসংঘ এবং ওআইসিসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির শীর্ষ নেতাদের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীতে শত শত বছরের পুরোনো ঐতিহাসিক শাহী মসজিদের অংশবিশেষ সম্প্রতি ভেঙে ফেলা হয়েছে যা অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয়। এই অনৈতিক উচ্ছেদ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে স্থানীয় মুসলিমরা প্রতিবাদ জানালে প্রশাসন বলপ্রয়োগ, দমন-পীড়ন ও নির্বিচারে গ্রেপ্তারের পথ বেছে নেয়। উত্তর প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, মহারাষ্ট্র এবং গুজরাটের মতো রাজ্যগুলোতেও আইনি প্রক্রিয়া ও আদালতের নির্দেশনাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে ধর্মীয় স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ছাত্রশিবিরের ভাষ্য অনুযায়ী, এই ধরনের ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডকে ‘বুলডোজার নীতি’ হিসেবে অভিহিত করা যায় যা ভারতের নিজস্ব ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। শুধু ধর্মীয় স্থাপনা ভাঙাই নয়, বরং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন, জাতীয় নাগরিক পঞ্জি এবং ওয়াকফ সংশোধন আইনের মতো বিতর্কিত নীতিমালার কারণে দেশটির মুসলমানদের অস্তিত্ব ও সম্পত্তিগত অধিকার হুমকির মুখে পড়েছে। প্রকাশ্য স্থানে ধর্মীয় আচার পালন বাধাগ্রস্ত হওয়া এবং গবাদিপশু বাণিজ্যকে কেন্দ্র করে গণপিটুনির ঘটনা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তাকে আরও বেশি প্রশ্নবিদ্ধ করছে।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, শিক্ষা ব্যবস্থায় মুসলিমদের ঐতিহাসিক অবদানসমূহ সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি বহু পুরোনো ঐতিহাসিক স্থানগুলোর নাম পরিবর্তন করা হচ্ছে। এই ধরণের অসহিষ্ণু প্রবণতা ভারতের ঐতিহ্যগত বহুত্ববাদ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই সব ধরনের বৈষম্যমূলক ও দমনমূলক নীতি অবিলম্বে পরিহার করার জন্য ভারত সরকারের প্রতি কঠোর আহ্বান জানিয়েছে ছাত্রশিবিরের নেতৃবৃন্দ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page