বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:১৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
শিশুর প্রকৃত পরিচর্যাকারীকে অভিভাবকত্বের স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় মাঠে বিজিবি-এসআরবি-পুলিশ-আনসার, আকাশে হেলিকপ্টার-ড্রোন সুন্দরী প্রতিযোগিতা বন্ধ করে নারীদের জন্য বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা চালু করল বুরকিনা ফাসো দুর্গাপূজায় পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত সাজেক, সড়ক অবরোধ স্থগিত সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার ও স্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত পৌনে দুই কোটি টাকার সম্পদ ‘অবহেলা’য় আবুল হায়াত পূজার সাজে মানানসই জুতা, স্টাইলের সঙ্গে থাকুক আরামও ক্ষীরের বল দিয়ে তৈরি হয় টাটকেশ্বর নাড়ু, দেখুন রেসিপি সংসদের সাউন্ড সিস্টেম কেনায় শত কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগে অনুসন্ধান চলছে: দুদক স্বরোভস্কির ঝলমলে করসেট, বেনারসি ড্রেপে রাশমিকা মান্দানা

সাবেক সহকারী পুলিশ সুপার ও স্ত্রীর জ্ঞাত আয়বহির্ভূত পৌনে দুই কোটি টাকার সম্পদ

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পুলিশের একজন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন। সম্প্রতি দুদকের ময়মনসিংহ জেলা সমন্বিত কার্যালয়ে মামলা দুটি রেকর্ড করা হয় এবং পরবর্তীতে আদালতের কাছে মামলার নথিপত্র পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্তরা বর্তমানে পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন বিরোধী এই সংস্থাটি।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. ফখরুদ্দীন ভূঞা সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদায় কর্মরত ছিলেন এবং গত বছরের শেষ দিকে তিনি অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তাঁর স্ত্রী জাহানারা খানমকে প্রথম মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে। স্বামীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় তিনি ৮৩ লাখ টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

দ্বিতীয় মামলাটিতে কেবল সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ফখরুদ্দীন ভূঞাকে এককভাবে আসামি করা হয়েছে। দুদকের কাছে জমা দেওয়া সম্পদ বিবরণীতে তিনি তথ্য গোপন করে মিথ্যা তথ্য দিয়েছেন বলে অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। তাঁর বৈধ আয় ও পারিবারিক খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৯২ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ বা অর্জিত সম্পত্তির অসঙ্গতি পাওয়া গেছে।

দুর্নীতি দমন কমিশন সূত্র জানিয়েছে, চলতি বছর এই দম্পতিকে তাদের সম্পত্তির বিবরণী জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। নির্দেশ অনুযায়ী তারা গত মার্চ মাসে বিবরণী জমা দিলেও পরবর্তীতে তা যাচাই-বাছাই করে অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এই ঘটনার তদন্ত চলছে এবং তদন্তের সময় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page