বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার কিশোরগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময় দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নতুন বেতনকাঠামোয় কবে বেতন পাবেন, কী বলছে মন্ত্রণালয় গ্রেপ্তারের আগে সৌদির টিকিট কাটেন প্রকৌশলী আলফোজান ঢাবিতে নিকাব বিতর্ক ও শিক্ষককে বিরতি: শ্রেণিকক্ষটা তাহলে কার মুরগির বিষ্ঠা থেকে রান্নার গ্যাস, মাসে খরচ মাত্র ১২০০ টাকা অ্যাপলের নতুন হোম গ্যাজেট আসছে, কী সুবিধা আছে এতে বিগ ব্যাশে আগের দলেই খেলবেন রিশাদ

দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড

Reporter Name

অপরাধ ডেস্ক: অবৈধ উপায়ে সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দায়ের করা একটি দুর্নীতি মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্র সংগঠনের সাবেক এক নেতাকে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। আদালতের রায়ে তাকে চার বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে এবং এই রায় বিচার অঙ্গনে বেশ আলোচনার জন্ম দিয়েছে। গত কয়েকদিন আগে ঢাকার একটি বিশেষ জজ আদালত এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের কঠোর তদন্ত এবং সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে আদালত এই নির্দেশ প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত ওই ব্যক্তির নাম সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম, যিনি অতীতে ঢাকা মহানগর উত্তর শাখার রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতেন। তিনি আলোচিত সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসি প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিযুক্ত সৈয়দ আবেদ আলী জীবনের সন্তান। পিতার বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের পর সিয়ামের বিরুদ্ধেও অবৈধ সম্পদ অর্জনের এই অভিযোগ আনা হয়েছিল, যা পরবর্তীতে আদালতে প্রমাণিত হয়।

গত বছরের জুলাই মাসে প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে চিরতরে অব্যাহতি দেওয়া হয়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারিতে আসার পর থেকেই তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ একে একে ডালপালা মেলতে শুরু করে। বিভিন্ন মাধ্যম থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে তদন্তকারীরা তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক সত্যতা পান এবং মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেন।

সর্বশেষ আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বিএম তারিকুল কবীর সব নথিপত্র পর্যালোচনা করে এই রায় ঘোষণা করেন। বিচারক নির্ধারিত দিনে বেলা সাড়ে এগারোটার দিকে জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় পাঠ করেন, যা বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। এই রায়ের মাধ্যমে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগের কঠোর অবস্থানের আরও একটি বার্তা দিল সংশ্লিষ্ট আদালত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page