বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে শূন্য পদ ৫ লাখ ২২ হাজার কিশোরগঞ্জে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে জামায়াতের মতবিনিময় দুর্নীতি মামলায় আবেদপুত্র সিয়ামের ৪ বছরের কারাদণ্ড ১৯২ নগর স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জন্য ৪১ কোটি টাকা বরাদ্দ চায় স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এমপিওভুক্ত শিক্ষকেরা নতুন বেতনকাঠামোয় কবে বেতন পাবেন, কী বলছে মন্ত্রণালয় গ্রেপ্তারের আগে সৌদির টিকিট কাটেন প্রকৌশলী আলফোজান ঢাবিতে নিকাব বিতর্ক ও শিক্ষককে বিরতি: শ্রেণিকক্ষটা তাহলে কার মুরগির বিষ্ঠা থেকে রান্নার গ্যাস, মাসে খরচ মাত্র ১২০০ টাকা অ্যাপলের নতুন হোম গ্যাজেট আসছে, কী সুবিধা আছে এতে বিগ ব্যাশে আগের দলেই খেলবেন রিশাদ

ঢাবিতে নিকাব বিতর্ক ও শিক্ষককে বিরতি: শ্রেণিকক্ষটা তাহলে কার

Reporter Name

শিক্ষা ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তাসনীম সিরাজ মাহবুবকে ঘিরে সম্প্রতি ক্যাম্পাসে এক তীব্র উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকালে নিকাব বা মুখ ঢাকা পর্দার ব্যবহার নিয়ে ওই শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের একটি অংশের মধ্যে তৈরি হওয়া ভুল বোঝাবুঝি থেকেই মূলত এই বিতর্কের সূত্রপাত হয়। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা চলছে এবং দুই পক্ষের মধ্যে দূরত্ব ক্রমশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় ওই শিক্ষক শিক্ষার্থীদের নিকাব ও পর্দার ধরন নিয়ে কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। অন্যদিকে, নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে শিক্ষক তাসনীম সিরাজ মাহবুব একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। সেখানে তিনি দাবি করেছেন যে, শিক্ষার্থীদের মুখ বা চোখ ঢাকা থাকায় ক্লাস চলাকালীন তাদের সঠিকভাব শনাক্ত করা এবং স্বাভাবিক যোগাযোগ রক্ষা করা কঠিন হয়ে পড়ছিল, তিনি কেবল এই বাস্তব অসুবিধার কথাই তুলে ধরেছিলেন।

এই ঘটনার সত্যতা এবং এর পেছনের প্রকৃত ঘটনা নিয়ে এখন পর্যন্ত স্পষ্ট কোনো নিরপেক্ষ তদন্ত করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। ঘটনার উভয় পক্ষের বক্তব্যে ভিন্নতা থাকায় কোনটি সত্য আর কোনটি অতিরঞ্জিত, তা নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা যারা এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তারা প্রকৃত ঘটনা গভীরভাবে খতিয়ে দেখার তেমন কোনো জোরালো উদ্যোগ নেননি বলেই অভিযোগ উঠেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি মুক্ত বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চাকেন্দ্রে ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলার সুষম ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা উচিত, তা নিয়ে এখন বড় ধরনের প্রশ্ন উঠেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সম্পর্কের অবনতি রোধে এবং ক্যাম্পাসের সার্বিক শিক্ষার পরিবেশ স্বাভাবিক রাখতে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বের করা জরুরি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page