বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবিতে কলকাতায় তৃণমূলের মিছিল আটকে দিল পুলিশ

Reporter Name

রাজনীতি ডেস্ক: ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ এবং ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা এসআইআর বাতিলের দাবিতে কলকাতায় প্রতিবাদ মিছিল করার পরিকল্পনা করেছিল সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী কলকাতার রাজাবাজার মোড় থেকে এই মিছিল শুরু হয়ে পার্ক সার্কাস মোড় পর্যন্ত গিয়ে শেষ হওয়ার কথা ছিল। শাসকদল তৃণমূলের এই কর্মসূচিতে দলীয় প্রধান তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও উপস্থিত থাকার কথা ছিল। তবে পূর্বানুমতি না থাকার কারণ দেখিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী এই কর্মসূচি শুরু হওয়ার আগেই তা আটকে দেয়।

কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দ জানান যে, রাজাবাজার থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মিছিল আয়োজনের জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের আগাম অনুমতি নেওয়া হয়নি। মিছিলটির রুট কেমন হবে কিংবা কতজন কর্মী-সমর্থক এতে অংশ নেবেন, সে বিষয়ে পুলিশকে আগেভাগে কিছু জানানো হয়নি। এই পরিস্থিতিতে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বেলা গড়ানোর আগেই পুলিশ রাজাবাজার মোড় এলাকায় অবস্থান নেয় এবং সেখানে কেন্দ্রীয় আধা সামরিক বাহিনীর সদস্যদেরও মোতায়েন করা হয়। ফলে পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী নির্ধারিত স্থান থেকে মিছিল বের করা সম্ভব হয়নি।

পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের মুখে পড়ে তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা রাজাবাজার মোড়েই আটকে পড়েন এবং সেখানে তীব্র প্রতিবাদ জানান। দলীয় সূত্রে জানা যায়, কর্মসূচিতে যোগ দিতে না পারলেও তৃণমূলের বিশিষ্ট সাংসদ দোলা সেন, বিধায়ক কুণাল ঘোষ, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ও অশোক দেবসহ একাধিক শীর্ষস্থানীয় নেতা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। অনুমতি ছাড়াই রাজাবাজার মোড়েই অবস্থান ধর্মঘটে বসে পড়েন দলীয় নেতারা। যদিও পরবর্তী সময়ে এই সমাবেশে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যোগ দেননি এবং তাঁর বাড়ি থেকে বের হওয়ারও কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানটিতে অবস্থান নিয়ে তৃণমূল নেতারা প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অবিলম্বে অপসারণ ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থার পাশাপাশি এসআইআর বাতিলের দাবি তোলেন। একই সঙ্গে ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া সব নাগরিকের নাম পুনরায় তালিকাভুক্ত করা এবং পুরোনো তালিকা অনুযায়ী ভোটদানের অধিকার ফিরিয়ে দেওয়ার জোরালো দাবি জানান তাঁরা। অন্যদিকে রাজ্যের বিরোধী রাজনৈতিক শিবত্রের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মন্তব্য করেন যে, আইনি প্রক্রিয়া মেনে অনুমতি ছাড়া কোনো ধরনের মিছিল করা উচিত নয় এবং পুলিশ প্রশাসন সঠিক পদক্ষেপই গ্রহণ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page