রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সাত পুলিশ সদস্যের নামে মামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ সাজেক সড়কের অবরোধ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক হচ্ছে যান চলাচল দুর্গাপূজায় দেশীয়র নতুন কালেকশন, শাড়ি কেনাকাটায় ছাড়ের সঙ্গে লুডু খেলেও মিলবে ডিসকাউন্ট ছোটবেলায় ফিট থাকা শিশুরা বড় হয়ে বিষণ্নতায় কম ভোগে, নতুন গবেষণা জীবন নামের রানওয়েতে নিজের লুক সার্ভ করে চলছেন আত্মবিশ্বাসী সাদিয়া জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী চার মূল্যস্তরে ১২ দামে সিগারেট, ব্র্যান্ড বদলের সুযোগ ব্যাপক নতুন টার্মিনাল, দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে নিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার সিঙ্গাপুরে বাংলাদেশি মাইগ্র্যান্ট ওয়ার্কারদের কল্যাণে নতুন উদ্যোগ নামাজ: গোপন পাপ থেকে মুক্তির প্রধান উপায়

নতুন টার্মিনাল, দেশের দীর্ঘতম রানওয়ে নিয়ে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের অপেক্ষায় কক্সবাজার

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: দেশের প্রধান পর্যটন শহর কক্সবাজারকে বিশ্ববাসীর কাছে আরও কাছাকাছি নিয়ে আসার লক্ষ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলছে বিমানবন্দরটির আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণের কাজ। ঝিনুকের খোলসের আদলে নির্মিত প্রায় ৩৬৩ কোটি টাকার নতুন যাত্রী টার্মিনালটি বর্তমানে অভ্যন্তরীণ যাত্রীদের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চলমান থাকা এই নান্দনিক টার্মিনালে রয়েছে ১৪টি চেক-ইন কাউন্টার, ১০টি ইমিগ্রেশন কাউন্টার এবং দুটি আধুনিক লাগেজ বেল্ট। পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হলে এই অবকাঠামো থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০ লাখ যাত্রী উন্নত ও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক সেবা গ্রহণ করতে পারবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সরাসরি উড়োজাহাজ চলাচলের পথ সুগম করতে বিমানবন্দরের রানওয়ে সমুদ্রের দিকে আরও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে গড়ে ওঠা এই রানওয়ের দৈর্ঘ্য বাড়িয়ে ১০ হাজার ৭০০ ফুটে উন্নীত করা হয়েছে, যা দেশের দীর্ঘতম রানওয়েগুলোর অন্যতম। এর ফলে এখন খুব সহজেই বড় আকারের সুপরিসর বিমান নিরাপদে ওঠানামা করতে পারবে। এছাড়া বিমান চলাচলের গতিশীলতা বাড়াতে ৩৬ হাজার ৩০০ বর্গমিটার আয়তনের নতুন একটি অ্যাপ্রন বা টারমাক নির্মাণ করা হয়েছে, যেখানে একসঙ্গে দুটি বড় এবং তিনটি ক্লাস-এইট ক্যাটাগরির উড়োজাহাজ পার্কিং করা সম্ভব হবে।

সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে আগামী নভেম্বরের দিকে কক্সবাজার বিমানবন্দরটি আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে যাত্রা শুরু করতে পারে। ইতিমধ্যে মালয়েশিয়ার জনপ্রিয় বিমানসংস্থা এয়ার এশিয়া এই রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালনার চূড়ান্ত ঘোষণা দিয়েছে। এর পাশাপাশি নেপালের কাঠমান্ডু, চীনের কুনমিং এবং মধ্যপ্রাচ্যের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যের সঙ্গে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপনের জোরালো কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই আন্তর্জাতিক রুটগুলো চালু হলে বিদেশি পর্যটকরা কোনো ধরনের ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি সমুদ্র সৈকতে পৌঁছাতে পারবেন।

নতুন এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের ফলে দেশের পর্যটন শিল্প এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে একটি অভাবনীয় পরিবর্তন আসবে বলে দৃঢ় বিশ্বাস ব্যবসায়ীদের। কক্সবাজার হোটেল গেস্টহাউস মালিক সমিতির নেতারা মনে করছেন, সরাসরি বিদেশি ফ্লাইট চালুর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক সম্মেলন, করপোরেট ইভেন্ট ও বড় বড় সাংস্কৃতিক আয়োজন করা অনেক সহজ হবে। এর ফলে হোটেল, মোটেল, রেস্তোরাঁ ও পরিবহন খাতে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং সামগ্রিক ব্যবসা বাণিজ্যে দীর্ঘমেয়াদি গতিশীলতা ফিরে আসবে। আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই বিমানবন্দরটি দেশের পর্যটন খাতকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে সংশ্লিষ্ট সবাই আশাবাদী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page