
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন যে, অবিলম্বে যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্ববাজারে তিন লাখ টনের বেশি ডিজেল সরবরাহের বিষয়ে মস্কো সম্মত হয়েছে। রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে অত্যন্ত ফলপ্রসূ বৈঠকের পরই জ্বালানি আমদানির এই গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই সমঝোতাকে বড় একটি কূটনৈতিক সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের তথ্য অনুযায়ী, এই চুক্তির আওতায় খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাশিয়া থেকে ৩০ লাখ টন ডিজেল মার্কিন বাজারে এসে পৌঁছাবে। এছাড়া নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী নভেম্বর মাসে আরও পাঁচ লাখ টন এবং পরবর্তীতে ধাপে ধাপে ১০ লাখ টন জ্বালানি সরবরাহ করবে মস্কো। বিশ্ববাজারে জ্বালানির স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই বিশাল পরিমাণ সরবরাহ বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্তমান সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার কারণে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাবে মার্কিন অর্থনীতিও বেশ কিছুদিন ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও জ্বালানি সংকটের মারাত্মক চাপের মুখে পড়েছিল। সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় কমাতে এবং অর্থনৈতিক গতিশীলতা রক্ষা করতে জ্বালানি তেলের দাম নিয়ন্ত্রণ করা এখন মার্কিন প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
এমন এক জটিল ও সংকটপূর্ণ পরিস্থিতিতে রাশিয়ার সঙ্গে জ্বালানি সরবরাহের এই নতুন চুক্তির ঘোষণা দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে স্বস্তি ফেরাতে এবং জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় এই উদ্যোগ কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন অর্থনীতিতে জ্বালানি মূল্যস্ফীতির চাপ কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।