শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সংলাপ, অংশীদারত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধায় আঞ্চলিক–বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনা: একই পরিবারের চারজনের দাফন, এলাকায় শোকের ছায়া ‘আমার জামাই, নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে, সব হারাইছি’ ডিজিটাল হচ্ছে বিবাহ ও তালাক নিবন্ধন মাঝরাতে জড়িয়ে ধরতে চেয়েছিলেন মদ্যপ পরিচালক, ভয়ংকর অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নায়িকা ১ ডিসেম্বরের মধ্যে ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার করার আলটিমেটাম গার্মেন্টস শ্রমিকদের দত্তকের নামে শিশু কেনাবেচা, ফেসবুকে চলে দর–কষাকষি গেইলকে পেছনে ফেলে টি–টুয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানের বিশ্ব রেকর্ড লুয়ানের প্রথম দিনেই ৯৫ কোটি আয়! বক্স অফিসে ‘দৃশ্যম’ ঝড় চা বিক্রেতাকে বাঁচাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল কলেজছাত্রের

‘আমার জামাই, নাতিন আর পুতিও মইরা গেছে, সব হারাইছি’

Reporter Name

জামালপুরের একটি মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের চার সদস্যের মৃত্যুতে শোকে স্তব্ধ হয়ে গেছে পুরো এলাকা। গত কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া এই ভয়াবহ দুর্ঘটনায় স্বজনদের হারিয়ে পরিবারজুড়ে চলছে অন্তহীন কান্না। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেপরোয়াগতির একটি বাসের চাপায় ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান তারা। এই আকস্মিক ও হৃদয়বিদারক ঘটনায় নিহতের বাড়ি এবং আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে। প্রিয়জনদের হারিয়ে বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন বেঁচে থাকা পরিবারের সদস্যরা।

নিহতদের বাড়িতে এখন চলছে স্বজনদের বুকফাটা আহাজারি। পরিবারের এক প্রবীণ সদস্য কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, তার জামাই, নাতনি ও পৌত্রসহ পরিবারের চারজন সদস্য এই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তিনি বলেন, চোখের পলকে তিনি তার জীবনের সবকিছু হারিয়ে ফেলেছেন। এই স্বজনহারা মানুষের মর্মান্তিক আর্তনাদ ও বুকচেরা কান্না সেখানে উপস্থিত সাধারণ মানুষ ও প্রতিবেশীদের চোখের কোণও ভিজিয়ে দিয়েছে। সান্ত্বনা দেওয়ার মতো কোনো ভাষা খুঁজে পাচ্ছেন না সমবেদনা জানাতে আসা মানুষেরা।

এদিকে এই মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর এলাকায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সড়ক নিরাপত্তা ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এ ধরনের দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপ দাবি করেছেন। পাশাপাশি, শোকসন্তপ্ত এই পরিবারটিকে সরকারি বা বেসরকারিভাবে সহায়তা প্রদানের দাবিও উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসন ইতিমধ্যে শোকাহত পরিবারের খোঁজখবর নিয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির এই ঘটনা আবারও সড়কের নিরাপত্তার ইস্যুটিকে সামনে নিয়ে এসেছে। বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানো এবং ট্রাফিক আইন না মানার প্রবণতাই এই ধরনের মর্মান্তিক মৃত্যুর প্রধান কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দুর্ঘটনা ঘটানো বাসটি ও এর চালককে আইনের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। শোকের এই মাতমের মাঝেও এখন একটাই দাবি, তা হলো বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে সড়ককে নিরাপদ করা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page