রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে

Reporter Name

বাগেরহাটের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে দুই ইউনিটের মাধ্যমে রেকর্ড সংখ্যক ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয়েছে। উৎপাদিত এই বিশাল পরিমাণ বিদ্যুৎ সফলভাবে সরাসরি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কেন্দ্রটির ইতিহাসে এটি এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। এর ফলে দেশের সার্বিক বিদ্যুৎ সরবরাহের ক্ষেত্রে স্বস্তি ফিরে এসেছে এবং ঘাটতি মেটানো সম্ভব হচ্ছে।

সম্প্রতি কেন্দ্রটির দ্বিতীয় ইউনিটে কিছু যান্ত্রিক সমস্যা দেখা দেওয়ায় সাময়িকভাবে উৎপাদন কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছিল। তবে প্রকৌশলীদের দক্ষ প্রচেষ্টায় ত্রুটি দ্রুত সারিয়ে তোলা হয় এবং বর্তমানে উভয় ইউনিট থেকে পুরোদমে কাজ চলছে। রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান মানবসম্পদ কর্মকর্তা আনোয়ারুল আজিম এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান যে, শনিবার বিকেল সাড়ে চারটার দিকে প্রথম ইউনিট থেকে ৬৫৬ মেগাওয়াট এবং দ্বিতীয় ইউনিট থেকে ৬৬৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া গেছে। বর্তমানে কোনো ধরনের বিঘ্ন ছাড়াই নিরবচ্ছিন্নভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ও ভারতের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ২০১০ সাল থেকে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু হয়েছিল। পরবর্তীতে ২০১২ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশনের মধ্যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড গঠিত হয়। দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার এক অনন্য নিদর্শন হিসেবে এই প্রকল্পটির কাজ এগিয়ে নেওয়া হয়।

বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের ১ হাজার ৩৪ একর জায়গার ওপর প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে। ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন এই প্রকল্পটিকে মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্রজেক্ট নামে অভিহিত করা হয়। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সফল ও পূর্ণাঙ্গ চালুকরণ দেশের জ্বালানি খাতের দীর্ঘমেয়াদী চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page