শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
শহরের খালে আটকে পড়া হাঙর দেখতে ছুটল ছয় লাখ মানুষ বাকেরগঞ্জের নিখোঁজ তিন ছাত্রী শ্যামপুর থেকে উদ্ধার করতোয়া নদীর চরে কাশফুলের মায়াবী সৌন্দর্য, ভিড় বাড়ছে দর্শনার্থীদের গাঁজাসহ আটক খুবির তিন শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার ট্রেলিগ্রাম বৈঠকে উপজেলা আ.লীগের কমিটি ঘোষণা হাসিনার, গোয়েন্দারা অন্ধকারে পর্যাপ্ত মজুতেও এলপি গ্যাসের সংকট তীব্র, দামও লাগামছাড়া যুদ্ধের মধ্যেও ৭ মাসে বিদেশে গেছেন ৪ লাখ ৩৪ হাজার কর্মী কুরোসাওয়া পুরস্কার পাচ্ছেন মিপো ও রাসুলফ ছোট পর্দায় এশিয়ান গেমসের সঙ্গে থাকছে ইউরোপিয়ান ফুটবলের উন্মাদনা মুস্তাফা মনোয়ারের শিল্পজগৎ: পাপেট বাড়ির ‘বাসিন্দাদের’ ভবিষ্যৎ নিয়ে দুর্ভাবনা

করতোয়া নদীর চরে কাশফুলের মায়াবী সৌন্দর্য, ভিড় বাড়ছে দর্শনার্থীদের

Reporter Name

শরতের রূপসী প্রকৃতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার টুকুরিয়া ইউনিয়নের করতোয়া নদীর চর। নদীর বুকে জেগে ওঠা বিস্তীর্ণ এই চরে প্রাকৃতিকভাবেই প্রস্ফুটিত হয়েছে ধবধবে সাদা কাশফুল। মেঘমুক্ত নীল আকাশের নিচে নদীর চরের এই মনোরম দৃশ্য দেখতে প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে ছুটে আসছেন অসংখ্য প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ। স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি আশপাশের এলাকা থেকেও দর্শনার্থীরা এখানে এসে প্রকৃতির স্নিগ্ধ রূপ উপভোগ করছেন।

বিশেষ করে টুকুরিয়া ইউনিয়নের জাতের ঘাট এলাকার করতোয়ার চর যেন এক প্রাকৃতিক ক্যানভাসে রূপ নিয়েছে। নদীর পাড়ের মিষ্টি বাতাস, সবুজ ঘাস আর দিগন্তজোড়া সাদা কাশফুল মিলে এক শান্ত ও মোহনীয় পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। মৃদু বাতাসে যখন কাশফুলগুলো একসঙ্গে দুলতে থাকে, তখন পুরো এলাকায় এক জাদুকরি দৃশ্যের অবতারণা হয়। পড়ন্ত বিকেলের সোনালী রোদে কাশফুলের নরম সাদা পালকগুলো আরও বেশি উজ্জ্বল হয়ে ওঠে, যা যেকোনো মানুষের মন কেড়ে নেয়।

স্থানীয় মানুষের ভাষ্য অনুযায়ী, এই চরের জমিতে কোনো ধরনের মানুষের সাহায্য বা পরিচর্যা ছাড়াই প্রতিবছর প্রাকৃতিকভাবেই কাশফুল ফোটে। শরৎকাল এলেই পুরো চর জুড়ে তুষারশুভ্র কাশফুলের সমারোহ ঘটে। দূর থেকে দেখলে মনে হয় কেউ যেন নদীর বুকে সাদা চাদর বিছিয়ে দিয়েছে। এই দৃশ্য উপভোগ করতে আসা দর্শনার্থী মাহমুদুল হাসান জানান, বিকেলের মিষ্টি বাতাসে কাশফুলের দুলুনি তার শৈশবের স্মৃতি মনে করিয়ে দেয় এবং এই অপরূপ সৌন্দর্য তাকে দারুণভাবে বিমোহিত করেছে।

দর্শনার্থীদের নিয়মিত আনাগোনা বাড়ায় নদীর চরের এই ফাঁকা জায়গায় এখন উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে সেখানে ছোট পরিসরে একটি অস্থায়ী মেলাও বসেছে, যেখানে মালাই চা ও নানা মুখরোচক খাবারের কয়েকটি দোকান রয়েছে। বিকেলে ঘুরতে আসা মানুষজন কাশফুলের মাঝে দাঁড়িয়ে ছবি তোলা এবং ভিডিও ধারণ করায় ব্যস্ত সময় পার করেন। কেউ কেউ আবার নদীর পাড়ে বসে শরতের নির্মল হাওয়া ও চারপাশের শান্ত পরিবেশ উপভোগ করেন, যা এই স্থানটিকে দিন দিন আরও জনপ্রিয় করে তুলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page