শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৪০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
কাজ শেষে আর বাড়ি ফেরা হলো না ৭৪ বছরের আব্দুল মালেকের সিসিটিভি বন্ধ করে গির্জার ৭০ কেজি ওজনের ঘণ্টা চুরি, ডাস্টবিনে উদ্ধার শরীয়তপুরে দেড় হাজার কোটি টাকার বাঁধে ধস, পদ্মায় বিলীন ৪০ মিটার মিরপুরে সরকারি আবাসন প্রকল্পের লিফট ছিঁড়ে বাবা-ছেলেসহ গুরুতর আহত ৩ মিসরের পিরামিডে ঢুকলে কি অভিশাপ লাগতে পারে বিশ্বকাপে এবারই প্রথম হতে যাচ্ছে তিনটি ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ, যদি… কাঁচি হাতে নরসুন্দর বাবলু, কাজের ফাঁকে ডুবে থাকেন বইয়ে গুলশানে সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ‘মদের গুদাম’ সিলগালা সমুদ্র সৈকতে ঘুরতে গিয়ে ৮ শিক্ষার্থীর মৃত্যু মাদকের টাকার জন্য মাকে উত্ত্যক্ত করতেন তরুণ, ১০ মাস ১০ দিনের কারাদণ্ড

কাঁচি হাতে নরসুন্দর বাবলু, কাজের ফাঁকে ডুবে থাকেন বইয়ে

Reporter Name

দৈনন্দিন জীবিকার কঠিন বাস্তবতার সঙ্গে যখন শিল্পের মেলবন্ধন ঘটে, তখন এক অনন্য পরিবেশের সৃষ্টি হয়। তেমনি এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন নরসুন্দর বাবলু, যিনি পেশাগত কাজের পাশাপাশি বই পড়ার গভীর নেশায় মগ্ন থাকেন। সারাদিন চুল ও দাড়ি কাটার ব্যস্ততার ফাঁকে সময় পেলেই তিনি ডুবে যান বইয়ের পাতায়। গ্রাহকদের সেবা দেওয়ার পাশাপাশি সাহিত্যচর্চা এবং গানবাজনার চর্চাও তার দৈনন্দিন জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।

বাবলুর সেলুনে প্রবেশ করলেই প্রথাগত অন্যান্য দোকানের চেয়ে এক ভিন্ন আমেজ লক্ষ্য করা যায়। সেখানে চারটি কাঠের চেয়ার ও একপাশে বড় আয়নার পাশাপাশি বেঞ্চে সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো থাকে নানা ধরনের বই। চুল কাটতে আসা গ্রাহকদের জন্য এই বইগুলো উন্মুক্ত থাকে, যা সেলুনের অপেক্ষার সময়টাকে অনেকটাই উপভোগ্য করে তোলে। শুধু নিজে পড়াই নয়, বরং যারা সেবা নিতে আসেন তাদের সঙ্গেও বিভিন্ন সাহিত্যকর্ম নিয়ে আলোচনা করেন তিনি।

তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের কারণে এলাকার বইপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনা মানুষের কাছে সেলুনটি কেবল চুল ছাঁটার স্থান নয়, বরং একটি ছোট্ট আড্ডার ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। কাজের বিরতিতে বা ফাঁকা সময়ে সেখানে সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রাণবন্ত আলোচনা চলে। অনেক সময় সমমনা মানুষের উপস্থিতিতে সেলুনের ভেতর গানও পরিবেশিত হয়, যা উপস্থিত সবাইকে এক অন্যরকম প্রশান্তি দেয়।

জীবিকার তাগিদে শারীরিক পরিশ্রমের পেশায় যুক্ত থেকেও মনের খোরাক জোগানোর এই প্রচেষ্টা সত্যিই প্রশংসনীয়। বাবলু প্রমাণ করেছেন যে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা অনুকূল পরিবেশ না থাকলেও প্রবল ইচ্ছা থাকলে মানুষের ভেতরকার শিল্পবোধ ও বইপ্রীতি ঠিকই বিকশিত হতে পারে। তার এই উদ্যোগ স্থানীয় সমাজে একটি ইতিবাচক বার্তা ছড়াচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের মাঝে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে উৎসাহিত করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page