বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

আজ বাংলাদেশের ইন্দোনেশিয়া পরীক্ষা

Reporter Name

ফিফা আসিয়ান কাপে নিজেদের শেষ ম্যাচে স্বাগতিক ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামছে বাংলাদেশ দল। জাকার্তার গেলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় ম্যাচটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে টুর্নামেন্টের প্রথম দুটি ম্যাচে যথাক্রমে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের কাছে পরাজিত হওয়ায় গ্রুপ পর্ব থেকেই বাংলাদেশের বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে। ফলে স্বাগতিকদের বিপক্ষে এই ম্যাচটি লাল-সবুজ জার্সিধারীদের জন্য কেবলই আনুষ্ঠানিকতার। তবে এই লড়াইকে হালকাভাবে না নিয়ে বরং স্মরণীয় করে রাখতে চাইছেন দলের ফুটবলাররা। টুর্নামেন্টের একই দিনে অন্য ম্যাচে সি জালাক হারুপাত স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর পরস্পরের মুখোমুখি হবে।

চলতি টুর্নামেন্টে বেশ ছন্দে রয়েছে ইন্দোনেশিয়া, যারা প্রথম দুই ম্যাচের একটিতেও পরাজয়ের মুখ দেখেনি। তারা সিঙ্গাপুরকে দুই গোলে পরাজিত করার পর শক্তিশালী মালয়েশিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করে নিজেদের শক্তিমত্তার প্রমাণ দিয়েছে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের চেয়ে বেশ কয়েক ধাপ এগিয়ে রয়েছে দলটি। ঘরের মাঠ, পরিচিত পরিবেশ এবং দর্শকদের সমর্থনকে কাজে লাগিয়ে তারা শুরু থেকেই আধিপত্য বিস্তার করতে চাইবে। এমন শক্তিশালী প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলাটি বাংলাদেশ দলের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং কঠিন পরীক্ষা হতে চলেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ম্যাচটির আগে দলের তারকা মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরী প্রতিপক্ষ দলের শক্তির প্রশংসা করে জানান যে ইন্দোনেশিয়ার বেশ কয়েকজন ফুটবলার ইউরোপের শীর্ষ লিগগুলোতে খেলে থাকেন। তাই শক্তিশালী এই দলের বিপক্ষে লড়াই করাটা তাদের জন্য বেশ কঠিন হবে। তবে র্যাঙ্কিংয়ে এগিয়ে থাকা দলের বিপক্ষেই নিজেদের সেরাটা যাচাই করতে তারা মাঠে নেমেছেন। বাংলাদেশ অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়াও প্রতিপক্ষের আধিপত্যের বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তবে কোচের সঙ্গে আলোচনার ভিত্তিতে বিশেষ পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ফুটবলে অসম্ভব বলে কিছু নেই এবং জয় কিংবা ড্রয়ের মাধ্যমে মাঠ ছাড়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

স্বাগতিকরা সবদিক থেকে এগিয়ে থাকলেও মাঠে যেকোনো কিছু ঘটার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না বাংলাদেশ দলের কোচ থমাস ডুলি। তিনি শিষ্যদের সর্বোচ্চ দিয়ে লড়াই করার এবং মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ম্যাচের মতো উজ্জীবিত ফুটবল উপহার দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন। কোচ আরও মনে করিয়ে দেন যে, সাফে ভালো করার প্রস্তুতি হিসেবেই অতিথি দল হিসেবে তারা এই ফিফা আসিয়ান কাপে অংশ নিচ্ছেন এবং এই টুর্নামেন্ট থেকে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ লড়াইয়ে কাজে লাগবে। প্রতিকূল পরিস্থিতি পেরিয়ে তরুণ ও অভিজ্ঞদের এই মিশ্রণ শেষ ম্যাচটিতে কেমন পারফরম্যান্স করে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page