বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক প্রতিরক্ষা সরঞ্জামে সজ্জিত করার সুপারিশ সিটির ১০০ টাকা স্পনসর আয়ের সাড়ে ৮৭ টাকাই ছিল ভুয়া বাংলা কিউআর: নভেম্বর থেকে ব্যক্তির টাকা যাবে ব্যক্তির কাছে নাটোরে বড়শিতে ধরা পড়ল সাড়ে ১৩ কেজি ওজনের চিতল মাছ তুরস্কে ব্যাপক বন্যা, স্কুল বন্ধের ঘোষণা বাংলাদেশসহ ১১ দেশের মার্কিন রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে দিল্লিতে বৈঠক, যুক্ত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও যুক্তরাজ্যে মার্কিন বিমান ঘাঁটিতে হামলার ষড়যন্ত্রে ইরানের হাত আছে: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ৪৯তম বিসিএস: শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ, প্রজ্ঞাপনে নেই উত্তীর্ণ ৫৭ জনের নাম গিলের ডাবল সেঞ্চুরি, রান তাড়ার নতুন রেকর্ড ভারতের চীনের ৭৭তম বার্ষিকীর প্রাক্কালে নবজাগরণের আহ্বান সির

সিটির ১০০ টাকা স্পনসর আয়ের সাড়ে ৮৭ টাকাই ছিল ভুয়া

Reporter Name

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ম্যানচেস্টার সিটির আর্থিক অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে গঠিত স্বাধীন কমিশনের তদন্তে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন এবং বিভিন্ন গোপনীয় নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করে ক্লাবটির বাণিজ্যিক আয় নিয়ে বড় ধরণের জালিয়াতির প্রমাণ মিলেছে। প্রিমিয়ার লিগের কঠোর আর্থিক বিধিমালা এবং নিয়মনীতি ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যেই এই অভিনব পথ বেছে নেওয়া হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ক্লাবটির মোট স্পনসরশিপ আয়ের বড় একটা অংশই ছিল সম্পূর্ণ বানোয়াট ও বাস্তবতাবর্জিত। হিসাব করে দেখা গেছে, স্পনসর বাবদ আয় করা প্রতি ১০০ টাকার মধ্যে প্রায় সাড়ে সাতাশি টাকাই ছিল আসলে ভুয়া ও ভিত্তিহীন। অর্থাৎ কাগজে-কলমে যে বিশাল অংকের স্পনসর দেখানো হয়েছিল, তার বাস্তব কোনো অর্থনৈতিক ভিত্তি বা অস্তিত্ব ছিল না। প্রিমিয়ার লিগের বর্তমান আর্থিক তদন্তে এই বিষয়টি অন্যতম প্রধান অনিয়ম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

ক্লাবগুলোর জন্য নির্ধারিত অর্থনৈতিক সুশৃঙ্খলতা বা লাভ ও টেকসই বিধিমালা (পিএসআর) বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্পনসরশিপের এই ভুয়া অঙ্কগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এই কৃত্রিম উপায়ে আয় বাড়িয়ে দেখানোর মাধ্যমে ক্লাবটি মূলত তাদের প্রকৃত আর্থিক অবস্থাকে আড়াল করার চেষ্টা করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা। এর ফলে প্রিমিয়ার লিগের অন্যান্য ক্লাবগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় তারা অনৈতিক সুবিধা ভোগ করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এই ধরনের বড় অংকের আর্থিক জালিয়াতি প্রমাণিত হলে ক্লাবটির বিরুদ্ধে প্রিমিয়ার লিগ কর্তৃপক্ষ কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। পয়েন্ট কাটা থেকে শুরু করে বড় অঙ্কের জরিমানা কিংবা অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার খড়গ ঝুলছে এই ক্লাবটির ওপর। ভবিষ্যতে ইংলিশ ফুটবলের সার্বিক শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এই তদন্তের ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page