বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
১৯ সেকেন্ডেই সুপারকম্পিউটারের শতবছরের কাজ সম্পন্ন করেছে কোয়ান্টাম কম্পিউটার দেড় লাখ টাকা জরিমানা, নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো স্কুলে ছেলের সঙ্গে ঝগড়া, শ্রেণিকক্ষে ঢুকে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থীকে অভিভাবকের আছাড় মির্জাপুরে দুর্গামন্দিরের ৭টি প্রতিমা ভাঙচুর নেপালে ঝুঁকিতে প্রায় ৭০০ ট্রেকার, হেলিকপ্টারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে অনেককে কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তায় নতুন সুবিধা চালু করল হোয়াটসঅ্যাপ বিএনপির নেতা–কর্মীদের বিরুদ্ধে আদালত চত্বরে আওয়ামীপন্থী তিন আইনজীবীকে মারধরের অভিযোগ মিরপুরে বাসচাপায় নারী আরোহীসহ চালক নিহত সন্তানকে ছেড়ে হাসপাতালে ভর্তি হননি মা, ডেঙ্গুতে ছাড়তে হলো পৃথিবীই রিসোর্ট-এনজিওতে ‘মেহমান’ পরিচয়ে রাতভর মুখস্থ করানো হতো ফাঁস করা প্রশ্নের উত্তর

রিসোর্ট-এনজিওতে ‘মেহমান’ পরিচয়ে রাতভর মুখস্থ করানো হতো ফাঁস করা প্রশ্নের উত্তর

Reporter Name

রাজধানী ঢাকা এবং এর পার্শ্ববর্তী সাভার এলাকার বিভিন্ন গোপন আস্তানা, রিসোর্ট, ডরমিটরি ও কোচিং সেন্টারে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্নপত্র ফাঁসের চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, অত্যন্ত সুকৌশলে বিভিন্ন স্পর্শকাতর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগে থেকেই সংগ্রহ করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র। পরে পরীক্ষার্থীদের বিশেষ ব্যবস্থায় এসব স্থানে এনে অত্যন্ত গোপনীয়তার সঙ্গে কার্যক্রম চালানো হতো।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, এই চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে কাজ করত যাতে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার নজরদারি এড়ানো যায়। সাধারণ অতিথি বা মেহমান হিসেবে সাভারের বিভিন্ন অভিজাত রিসোর্ট কিংবা রাজধানীর কোনো এনজিওর ডরমিটরিতে কক্ষ ভাড়া নিত তারা। কখনো কখনো পানি ফিল্টারের গুদাম বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের আড়ালেও এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করা হতো, যা বাইরে থেকে বোঝার কোনো উপায় ছিল না।

পরীক্ষার আগের রাতে পরীক্ষার্থীদের এসব গোপন ঠিকানায় একত্রিত করে কড়া নিরাপত্তায় রাখা হতো। এরপর সেখানে ফাঁস হওয়া প্রশ্নপত্র সরবরাহ করে তা রাতভর জোরপূর্বক মুখস্থ করানো হতো যাতে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার হলে গিয়ে সহজেই সঠিক উত্তর দিতে পারে। চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে এই পুরো প্রক্রিয়াটি পরিচালনা করত এবং অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে বড় অংকের অর্থ হাতিয়ে নিত বলে অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষা ব্যবস্থার পবিত্রতা রক্ষায় এবং এ ধরনের দুর্নীতির শেকড় উৎপাটনে সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এখন এই চক্রের বাকি সদস্যদের গ্রেফতারে চিরুনি অভিযান চালাচ্ছে। সম্প্রতি এই চক্রের কিছু সদস্য আটকের পর বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর সব তথ্য, যা দেশের পুরো শিক্ষা খাতকে চরমভাবে ভাবিয়ে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জানিয়েছে, জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং চক্রের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page