
বার্ধক্যকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে বিশ্বজুড়ে অবাক করে দিয়েছেন এক ৯০ বছর বয়সী প্রবীণ বডিবিল্ডার। জীবনের পড়ন্ত বেলায় এসেও তাঁর অবিশ্বাস্য শারীরিক ফিটনেস এবং পেশিবহুল গঠন দেখে রীতিমতো বিস্মিত ক্রীড়া বিশ্ব। বার্ধক্যের এই বয়সেও শরীরচর্চার প্রতি তাঁর এই অদম্য অনুরাগ ও নিষ্ঠা অনেকের জন্যই এক দারুণ অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে। সম্প্রতি জনপ্রিয় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান-এ তাঁকে নিয়ে একটি বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই তিনি বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এসেছেন।
দীর্ঘ deportiva জীবনে তিনি অসাধারণ সাফল্য অর্জন করেছেন এবং একের পর এক রেকর্ড নিজের নামের পাশে যুক্ত করেছেন। পেশাদার বডিবিল্ডিং ক্যারিয়ারে তিনি রেকর্ডসংখ্যক ১৯ বার মর্যাদাপূর্ণ শিরোপা জিতে অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। এই বয়সে এসেও তিনি যেভাবে নিজের সুঠাম শারীরিক গঠন ও সুস্থতা বজায় রেখেছেন, তা আধুনিক যুগে এক বিরল ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তাঁর এই দীর্ঘ পথচলা এবং সাফল্যের গল্প তরুণ প্রজন্মসহ সব বয়সি মানুষকে নতুন করে শরীরচর্চায় উদ্বুদ্ধ করছে।
নিজের এই অসাধারণ ফিটনেসের রহস্য সম্পর্কে বলতে গিয়ে এই বয়োবৃদ্ধ অ্যাথলেট জানিয়েছেন, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত একজন বডিবিল্ডার হিসেবেই বেঁচে থাকতে চান তিনি। শরীরচর্চাকে তিনি কেবল পেশা বা শখ হিসেবে নেননি, বরং এটিকে নিজের জীবনযাত্রার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে বেছে নিয়েছেন। নিয়মিত কঠোর পরিশ্রম, সুশৃঙ্খল জীবনযাপন এবং সঠিক খাদ্যাভ্যাসই তাঁকে এই বয়সেও তরুণদের মতো চটপটে ও শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করেছে। বয়স নিছক একটি সংখ্যা মাত্র, তা তিনি নিজের কাজের মাধ্যমেই বারবার প্রমাণ করে চলেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে তাঁর এই অর্জন ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই বিশ্বজুড়ে প্রশংসার জোয়ারে ভাসছেন তিনি। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে পেশাদার ফিটনেস ট্রেইনাররাও তাঁর এই দৃঢ় মানসিকতা ও অধ্যবসায়ের ভূয়সী প্রশংসা করছেন। বার্ধক্য মানেই যে নিষ্ক্রিয়তা নয়, বরং মনের জোর থাকলে যেকোনো বয়সেই অসম্ভবকে জয় করা সম্ভব—তিনি তাঁর জীবনাচরণ দিয়ে সেটিই বিশ্ববাসীর সামনে নতুন করে তুলে ধরেছেন।