মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :

চেহারা ভাড়া দিয়ে ১৫ হাজার ডলার…

Reporter Name

প্রযুক্তির অভূতপূর্ব অগ্রগতির ফলে বর্তমানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের মাধ্যমে যেকোনো মানুষের নিখুঁত ডিজিটাল রূপ বা প্রতিচ্ছবি তৈরি করা সম্ভব হচ্ছে। একবার কোনো ব্যক্তির মুখাবয়ব ও শারীরিক অবয়বের ডিজিটাল স্ক্যান বা তথ্য সংগ্রহ করা হলে, তা দিয়ে যেকোনো ধরনের অবিকল দৃশ্যপট বা ভিডিও তৈরি করা অত্যন্ত সহজ হয়ে গেছে। এই প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের কারণে মানব শরীরের ডিজিটাল উপস্থিতির বাণিজ্যিক মূল্য দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বিশ্বজুড়ে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

বিভিন্ন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও ডিজিটাল নির্মাতা সংস্থাগুলো তাদের আধুনিক প্রকল্পের জন্য বাস্তব মানুষের মুখের অবয়ব বা ডিজিটাল ক্লোন ব্যবহার করছে। এ ধরনের কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চেহারা ও শারীরিক বৈশিষ্ট্যের কপিরাইট সাময়িকভাবে ব্যবহারের অনুমতি নেওয়া হয়, যার বিনিময়ে আকর্ষণীয় আর্থিক পারিশ্রমিক দেওয়া হচ্ছে। কিছু নির্দিষ্ট প্ল্যাটফর্মে এই ধরনের চেহারার স্বত্ব বা ডিজিটাল লাইসেন্স প্রদান করে ব্যবহারকারীরা এককালীন ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করার সুযোগ পাচ্ছেন।

তবে এই প্রবণতার ফলে গোপনীয়তা রক্ষা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে নানাবিধ নৈতিক প্রশ্ন ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সাইবার বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কোনো ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া বা প্রলোভনে পড়ে নিজের ডিজিটাল পরিচয় অন্যের হাতে তুলে দেওয়া ভবিষ্যতে বড় ধরনের প্রতারণা বা ডিপফেক ভিডিও তৈরির ঝুঁকি বাড়িয়ে দিতে পারে। এ ধরনের প্রযুক্তির অপব্যবহার রোধে কঠোর নীতিমালা এবং আইন প্রণয়নের প্রয়োজনীয়তা এখন সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সব মিলিয়ে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার এই নতুন বাণিজ্য একদিকে যেমন তরুণ প্রজন্মকে নতুন আয়ের পথ দেখাচ্ছে, অন্যদিকে এটি ডিজিটাল নিরাপত্তা নিয়ে এক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছে। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞরা সাধারণ মানুষকে নিজেদের ভার্চুয়াল পরিচয় বা বায়োমেট্রিক ডেটা ব্যবহারের ক্ষেত্রে অত্যন্ত সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। ভবিষ্যতে এই খাতের পরিধি আরও বাড়ার সম্ভাবনা থাকায় এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page