শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
বোমা হামলা থেকে জাতিসংঘে, কূটনীতির নতুন অধ্যায়ে ইরান বগুড়া পুলিশে বিল জালিয়াতি: আত্মসাৎ ৩ কোটি, তদন্তে ৩০ পুলিশ সদস্যের নাম ফেরাটা সুখের হলো না মানচিনির, বেলজিয়ামের কাছে হার ইতালির যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের ভাবমূর্তি ‘নজিরবিহীন তলানিতে’ নামিয়েছেন নেতানিয়াহু যুক্তরাষ্ট্র সব প্রস্তাব মানলেও পারমাণবিক কর্মসূচিতে ছাড় দেবে না ইরান ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে না: গুতেরেস ইউরোপের সঙ্গে কোনো সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে না রাশিয়া: পুতিন দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত শাশুড়িকে সম্মান না করায় বাবার চড়, ক্ষুব্ধ ছেলের ছুরিকাঘাতে মৃত্যু যুক্তরাষ্ট্র রাজি হলেই শুরু হবে হরমুজ খোলার সাত দিনের পরিকল্পনা: আরাগচি

দাম্পত্যে ভালোবাসা: নবীজির জীবন থেকে ১০ সুন্নত

Reporter Name

দাম্পত্য জীবন সুখের ও দীর্ঘস্থায়ী করার জন্য পারস্পরিক ভালোবাসা এবং তা প্রকাশের বিকল্প নেই। সমাজে অনেক সময় ভুল ধারণা প্রচলিত থাকে যে স্ত্রীর প্রতি গভীর অনুরাগের কথা মনে পুষে রাখাই পুরুষত্ব বা ব্যক্তিত্বের পরিচায়ক। অথচ ইসলাম ধর্মের সোনালী ইতিহাসে বিশ্বনবী হজরত মুহাম্মদ সা.-এর জীবন পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, তিনি জীবনসঙ্গীর প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রে ছিলেন সম্পূর্ণ মুক্ত ও অকপট।

ইসলাম ধর্মে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার সম্পর্ককে অত্যন্ত পবিত্র এবং মর্যাদাপূর্ণ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। মহানবী সা. শুধু নিজ পরিবারে ভালোবাসার চর্চাই করেননি, বরং তার উম্মতদের জন্যও উত্তম নমুনা রেখে গেছেন। প্রিয়তমা স্ত্রীর সঙ্গে কোমল আচরণ করা, তাদের ছোটোখাটো চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব দেওয়া এবং সুখে-দুঃখে পাশে থাকা ছিল তার প্রতিদিনের অভ্যাসের অংশ।

নবীজির সুন্নতের মধ্যে এমন বহু সুন্দর দৃষ্টান্ত রয়েছে যা বর্তমান সময়ের দাম্পত্য কলহ ও দূরত্ব দূর করতে অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। স্ত্রীর সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলা, সুস্বাদু খাবারে অংশীদার হওয়া কিংবা একসঙ্গে সময় কাটানোর মতো ছোট ছোট বিষয়গুলোকে তিনি অত্যন্ত গুরুত্ব দিতেন। এই আচার-ব্যবহারগুলো প্রমাণ করে যে পারিবারিক জীবনে বিনয় ও ভালোবাসার প্রকাশ দুর্বলতা নয়, বরং সুমহান চরিত্রের লক্ষণ।

আজকের আধুনিক যান্ত্রিক জীবনে অনেক দম্পতির মধ্যে মানসিক দূরত্ব তৈরি হচ্ছে, যার মূল কারণ যথাযথভাবে অনুভূতি প্রকাশ না করা। মহানবী সা.-এর জীবন থেকে শিক্ষা নিয়ে সম্পর্কের মাঝে মাধুর্য ফিরিয়ে আনা সম্ভব। পারস্পরিক সম্মান, বিশ্বাস এবং ভালোবাসার সঠিক বহিঃপ্রকাশই একটি পরিবারকে স্বর্গীয় সুখে পরিপূর্ণ করে তুলতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page