শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

ভারতের ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিলে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প

Reporter Name

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বিভিন্ন দেশের পণ্যের ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নতুন একটি শুল্ক বিলে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেছেন। এই নতুন আইন অনুযায়ী ভারতসহ বেশ কয়েকটি নির্দিষ্ট দেশের আমদানিকৃত পণ্যের ওপর শতভাগ পর্যন্ত করারোপ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন স্বার্থ রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ বাজার সুরক্ষার জন্যই মূলত এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিশ্লেষকেরা।

প্রস্তুতকৃত নতুন এই আইনি কাঠামোর আওতায় কেবল ভারতই নয়, বরং বৈশ্বিক বাণিজ্যের নানা সমীকরণে থাকা আরও কয়েকটি দেশ কঠোর মার্কিন শুল্ক নীতির মুখোমুখি হতে চলেছে। সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রগুলো থেকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী পণ্যের মূল্য দ্বিগুণ করার বিধান রাখা হয়েছে এই বিলে। দীর্ঘদিন ধরে চলা বৈশ্বিক বাণিজ্য ভারসাম্যহীনতা দূর করতে মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই ধরনের কঠোর অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বেশ কিছুদিন ধরে আলোচনাধীন ছিল।

শুধু ভারত কিংবা অন্যান্য নির্দিষ্ট দেশই নয়, বরং এই নতুন আইনের আওতায় বৈশ্বিক পরাশক্তি রাশিয়ার ওপর আরও বেশি কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন প্রশাসনের এই নতুন বিলে রাশিয়ার বিভিন্ন পণ্যের আমদানির ওপর অবিশ্বাস্যভাবে পাঁচশ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক আরোপের কঠোর বিধান রাখা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতি এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই উচ্চহারের শুল্ক আরোপকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে গণ্য করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই স্বাক্ষর করার মধ্য দিয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের নীতিগত পরিবর্তন আসার জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ভারতের মতো উদীয়মান অর্থনৈতিক শক্তির ওপর এমন উচ্চহারে শুল্ক কার্যকর হলে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যিক সম্পর্কে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। একই সঙ্গে রাশিয়ার ওপর অর্থনৈতিক চাপ আরও বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে এই শুল্ক নীতি কতটুকু কার্যকর ভূমিকা রাখবে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এখন নানা ধরনের আলোচনা চলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page