বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
কিশোর কুমারের গান গেয়ে নৈশভোজে চমক দিলেন মালয়েশিয়ান প্রধানমন্ত্রী হাইসিকিউরিটি কারাগার ভেঙে পলাতক আসামি গ্রেফতার প্রতিদিন ৩০ মিনিট ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত? গরু চুরি করে বিএনপি নেতার গোয়ালঘরে রেখে গেল চোর! অবসর ঘোষণার পর বিদায়ী ম্যাচে ডাক পেলেন মেসি, কবে কার বিপক্ষে খেলবেন? যুক্তরাষ্ট্রে হামের প্রকোপ, পেনসিলভেনিয়ায় চতুর্থ মৃত্যুর খবর জানালো কর্তৃপক্ষ মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার নিখোঁজের ৭ দিন পর শিশুর বস্তাবন্দি টুকরো মরদেহ উদ্ধার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি দেখা যায় যে ১০ সাপ, যেগুলো বিষধর পত্রিকা: ‘সর্বজনীন পেনশনে পরিবর্তন আসছে, আজীবন সুবিধা পাবেন স্বামী-স্ত্রী’

প্রতিদিন ৩০ মিনিট ওয়াশিং মেশিন চালালে মাসে বিদ্যুৎ বিল কত?

Reporter Name

দৈনন্দিন ব্যস্ততাময় জীবনে গৃহস্থালির কাজ সহজ করতে ওয়াশিং মেশিনের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কাপড় ধোয়ার এই আধুনিক যন্ত্রটি সময় ও শ্রম বাঁচালেও মাসিক বিদ্যুৎ বিলে এর কতটা প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে সাধারণ ব্যবহারকারীদের মনে প্রায়ই কৌতূহল কাজ করে। তবে সব ওয়াশিং মেশিনের বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণ এক রকম হয় না। মেশিনের ওয়াটেজ বা ক্ষমতা, মডেল, ওয়াশিং মোড, পানির তাপমাত্রা এবং একটি পূর্ণাঙ্গ সাইকেলে যন্ত্রটি ঠিক কতক্ষণ সক্রিয় থাকছে, এসব বিষয়ের ওপর নির্ভর করেই মূলত বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব নির্ধারিত হয়। ফলে কেবল মেশিনটি কতক্ষণ চালানো হলো, তার ওপর ভিত্তি করে সবার ক্ষেত্রে একই রকম খরচ ধরা সম্ভব নয়।

একটি নির্দিষ্ট ধারণার হিসেবে, ৫০০ ওয়াট ক্ষমতার একটি ওয়াশিং মেশিন যদি একটানা এক ঘণ্টা সচল থাকে, তবে এটি প্রায় ০.৫ কিলোওয়াট-ঘণ্টা বা শূন্য দশমিক পাঁচ ইউনিট বিদ্যুৎ খরচ করতে পারে। দেশের আবাসিক বিদ্যুৎ ট্যারিফের নিয়মানুযায়ী ব্যবহারকারীর মোট খরচের ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন স্ল্যাব অনুযায়ী রেট নির্ধারিত হয়ে থাকে। প্রথম স্ল্যাবের হিসেবে এই শূন্য দশমিক পাঁচ ইউনিট অতিরিক্ত খরচ হলে শুধুমাত্র এনার্জি চার্জ বাবদ খুব সামান্য পরিমাণ অর্থ যোগ হতে পারে। তবে এই প্রাথমিক হিসাবের বাইরেও মূল বিদ্যুৎ বিলের সঙ্গে ডিমান্ড চার্জ, মিটার ভাড়া এবং সরকারি ভ্যাট যুক্ত হওয়ার কারণে প্রকৃত খরচ কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

ওয়াশিং মেশিনের একটি পূর্ণাঙ্গ সাইকেলে সবসময় একই হারে বিদ্যুৎ খরচ হয় না, কারণ এতে কখনো মোটর, কখনো ড্রেন পাম্প আবার কখনো স্পিন সিস্টেম কাজ করে। এছাড়া কাপড়ের মান বা দাগ তোলার প্রয়োজনে যদি গরম পানির হিটার ব্যবহার করা হয়, তবে বিদ্যুৎ খরচ স্বাভাবিকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণে বেড়ে যায়। কারণ সাধারণ মোটর চালানোর তুলনায় পানি গরম করার কাজটি অনেক বেশি শক্তি টেনে নেয়। তাই কেবল মেশিনের গায়ে লেখা সর্বোচ্চ ওয়াট দেখে সঠিক খরচ নির্ধারণ করা যায় না, বরং মেশিনের এনার্জি লেবেল বা প্রস্তুতকারকের দেওয়া নির্দেশিকা যাচাই করাই সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ।

বিদ্যুৎ খরচ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যবহারকারীদের কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা উচিত বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। প্রতিবার অল্প কিছু কাপড় আলাদাভাবে ধোয়ার পরিবর্তে মেশিনের ধারণক্ষমতা অনুযায়ী একসঙ্গে কাপড় দিলে বিদ্যুৎ ও পানির অপচয় উভয়ই রোধ করা সম্ভব। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া গরম পানির মোড এড়িয়ে চলা এবং কাপড় ধোয়া শেষে সঠিকভাবে মেশিন বন্ধ রাখা দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী হতে পারে। এছাড়া নতুন মেশিন ক্রয়ের সময় শুধুমাত্র এর আকার বা দাম বিবেচনা না করে, এর শক্তি সাশ্রয়ী রেটিং বা এনার্জি লেবেল ভালোভাবে দেখে নেওয়া উচিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page