মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৪০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
যে চার অভিযোগে ওবায়দুল কাদেরসহ সাতজনের মৃত্যুদণ্ড রোগী ও স্বজনদের বর্ণনায় উঠে এলো ময়মনসিংহ মেডিকেলে আগুনের ভয়াবহতা পুলিশে পূর্ণাঙ্গ সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই সালমানের ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের সামনে ককটেল বিস্ফোরণ স্থানীয় সরকার ভোটের তারিখ বদলাচ্ছে, নতুন সূচি নির্ধারণে বৈঠকে বসছে ইসি নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে চলবে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের সম্পর্ক নেই, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৭ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি পাবে জুলাই শহীদের পরিবার

পুরো সিস্টেম কিনে ফেলার জন্য কয়েক কোটি টাকাই যথেষ্ট: আসিফ মাহমুদ

Reporter Name

জাতীয় নাগরিক কমিটির (এনসিপি) মুখপাত্র এবং অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নিয়ে অত্যন্ত কড়া মন্তব্য করেছেন। সম্প্রতি নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি দীর্ঘ পোস্টে তিনি দাবি করেন যে, বর্তমান দুর্নীতিগ্রস্ত শাসন ব্যবস্থায় পুরো সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিতে বা কিনে ফেলতে মাত্র কয়েক কোটি টাকাই যথেষ্ট। তার এই খোলামেলা বক্তব্য প্রকাশের পরপরই রাজনৈতিক অঙ্গনে নানাবিধ আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি নিজের সততার উদাহরণ টেনে উল্লেখ করেন যে, তিনি যদি কথিত ১১ হাজার কোটি টাকার সামান্য এক শতাংশ অর্থাৎ ১১০ কোটি টাকারও দুর্নীতি করতেন, তবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সহ রাষ্ট্রের কোনো সংস্থাই তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতো না। তার মতে, নির্দিষ্ট স্থানে প্রয়োজনীয় উপহার ও সালামি পৌঁছাতে পারলে হাজার হাজার গুরুতর অভিযোগও কখনোই অনুসন্ধানের টেবিলে আসতো না। তিনি আক্ষেপ করে জানান যে, এই বাস্তবতায় অনেক সময় সৎ পথে চলাটাই সবচেয়ে বড় অপরাধ বলে মনে হয়।

তিনি আরও অভিযোগ করেন যে, এস আলমের মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রাষ্ট্রের লক্ষ কোটি টাকা লুণ্ঠন করার পরও কেবল প্রচুর অর্থের জোরে বহাল তবিয়তে টিকে আছে। বড় বড় রাজনৈতিক নেতাদের পুত্রদের সঙ্গে সমঝোতা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক পদ না নেওয়া, ফ্যাসিবাদের প্রতীকী কোনো খেলোয়াড়কে দেশে ফিরতে না দেওয়া এবং সিটি করপোরেশনে জোরপূর্বক কাউকে বসাতে সহযোগিতা না করার মতো সাহসী ও কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান তিনি। এছাড়া তরুণদের জন্য সামরিক প্রশিক্ষণ চালুর উদ্যোগ এবং ভারতীয় দূতাবাস সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ ফেলানীর নামে করার মতো সাহসী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, এসব কাজের পরেও রাজনীতিতে টিকে থাকাটাই একটা বড় প্রাপ্তি।

নিজের নীতি, সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণের প্রশ্নে কখনোই আপস করেননি এবং মাথা নত করেননি বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই এনসিপি নেতা। অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী সমঝোতা না করার সিদ্ধান্তকে ভুল বললেও তিনি বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকাকেই শ্রেয় মনে করেছেন। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিতে কিছুটা ছাড় দিয়ে চললে হয়তো অনেক স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা যেত, কিন্তু তাতে সারাজীবন বিবেকের দংশনে ভুগতে হতো। শেষ পর্যন্ত ক্ষমতাধর ব্যক্তি বা প্রভাবশালী রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস না করার কারণে এই পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page