মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে চলবে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের সম্পর্ক নেই, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৭ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি পাবে জুলাই শহীদের পরিবার ছাত্রলীগের সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ১৪টি পুরস্কার জিতে ‘উইডোজ বে’র বাজিমাত, এবার এমি জিতলেন যারা ভাঙছে যুক্তরাজ্য! ওয়েলস-স্কটল্যান্ড-নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের চুক্তি প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name

গত জুলাই মাসের ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের সময় মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করার দায়ে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগের সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া এই রায়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত নৃশংসতার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় সর্বোচ্চ শাস্তির এই আদেশ আসে। বিচার প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনার পর আদালত এ সংক্রান্ত ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত এই সাত শীর্ষ নেতার মধ্যে রয়েছেন দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ডের নির্দেশদাতা কিংবা পরিকল্পনাকারী হিসেবে তাদের বিরুদ্ধে এই গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিরা আদালতে সাক্ষীদের বয়ান এবং বিভিন্ন ডিজিটাল নথিপত্র উপস্থাপন করে তাদের অপরাধ প্রমাণে সক্ষম হন, যার ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল এই কঠোর সিদ্ধান্ত নেয়।

জুলাই অভ্যুত্থানের সেই দিনগুলোতে আন্দোলন দমনের নামে সাধারণ মানুষের ওপর নির্বিচার হামলা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনের নানা ঘটনা ঘটেছিল। তৎকালীন সরকারের নীতিনির্ধারক ও দলীয় শীর্ষ নেতাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ নির্দেশেই এসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল বলে ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে। বিচারিক কার্যক্রম চলাকালীন প্রসিকিউশন টিম আসামিদের বিরুদ্ধে একের পর এক সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উপস্থাপন করে, যা দেশের বিচার ইতিহাসে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি অধ্যায় হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

এই রায়ের মধ্য দিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের পরিবারের দীর্ঘদিনের ন্যায়বিচার পাওয়ার প্রত্যাশা অনেকটাই পূরণ হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে মামলার অন্যান্য আইনি প্রক্রিয়া এবং দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে এখন সবার নজর রয়েছে। অপরাধ ট্রাইব্যুনালের এই যুগান্তকারী রায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও গভীর প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page