মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:০৪ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা-জয়দেবপুর রুটে চলবে দেশের প্রথম বৈদ্যুতিক ট্রেন মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের সম্পর্ক নেই, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৭ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি পাবে জুলাই শহীদের পরিবার ছাত্রলীগের সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ১৪টি পুরস্কার জিতে ‘উইডোজ বে’র বাজিমাত, এবার এমি জিতলেন যারা ভাঙছে যুক্তরাজ্য! ওয়েলস-স্কটল্যান্ড-নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের চুক্তি প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড

ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

Reporter Name

ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পলাতক আসামি ওবায়দুল কাদেরসহ পাঁচ শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ ঐতিহাসিক এই রায় প্রদান করেন, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ও বিচারিক ইতিহাসে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাম্প্রতিক এই বিচারিক প্রক্রিয়ায় আদালত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আনীত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে বলে মনে করেন।

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি বিচারিক প্যানেল এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। এই বিচারিক প্যানেলের অপর দুই সম্মানিত সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। আদালতের এই বিচারিক প্যানেল অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে মামলার দীর্ঘ শুনানি ও সাক্ষ্যপ্রমাণ পর্যালোচনা করে রায়টি প্রস্তুত করেন।

আদালতের বিচারিক কার্যক্রম চলাকালে একে একে আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ড ঘোষণা করা হয়, যার শুরুতেই ওবায়দুল কাদেরের সর্বোচ্চ শাস্তির আদেশ দেওয়া হয়। ওবায়দুল কাদের ছাড়াও এই মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অপর চার শীর্ষ নেতা হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ এবং সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল। ট্রাইব্যুনালের এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত সহিংসতার বিচার প্রক্রিয়ায় একটি বড় মাইলফলক অর্জিত হলো।

রায় ঘোষণার সময় ট্রাইব্যুনাল বিচারিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখেন এবং মামলার অন্যান্য আসামিদের বিষয়েও পর্যায়ক্রমে সিদ্ধান্ত জানান। তবে আলোচিত এই মামলায় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের ভাগ্য নিয়ে পরবর্তী সময়ে আদালত কী রায় দেন, সেদিকে সবার নজর রয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এই রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছে এবং আসামিপক্ষের পলাতক থাকা অবস্থায় এই বিচার সম্পন্ন হওয়ায় আইনি প্রক্রিয়া আরও ত্বরান্বিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page