মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
মৃত্যুদণ্ডের সঙ্গে প্রতিশোধের সম্পর্ক নেই, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চাই মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত জনের মৃত্যুদণ্ড মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত ৭ আসামির ৫০ শতাংশ সম্পত্তি পাবে জুলাই শহীদের পরিবার ছাত্রলীগের সাদ্দাম-ইনানের মৃত্যুদণ্ড ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ১৪টি পুরস্কার জিতে ‘উইডোজ বে’র বাজিমাত, এবার এমি জিতলেন যারা ভাঙছে যুক্তরাজ্য! ওয়েলস-স্কটল্যান্ড-নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের চুক্তি প্রবাসীর স্ত্রীর সঙ্গে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের ভিডিও ভাইরাল, এএসআই ক্লোজড প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিহত দুই সেনাসদস্যের পরিবারের সাক্ষাৎ

অ্যালার্ম বাজলেও সকালে ঘুম ভাঙে না কেন?

Reporter Name

অনেকেই রাত জেগে সহজে কাজ করতে পারলেও সকালের দিকে বিছানা ছাড়তে গিয়ে তীব্র অনীহার মুখোমুখি হন। অ্যালার্মের শব্দ কানে পৌঁছালেও চোখ খুলতে কষ্ট হয় এবং শরীর জুড়ে এক ধরণের অবসাদ কাজ করে। চিকিৎসাবিজ্ঞান ও গবেষকদের মতে, ঘুম ভাঙার বিষয়টি কোনো যান্ত্রিক প্রক্রিয়া নয় যে সুইচ চাপলেই সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু স্বাভাবিক হয়ে যাবে। বরং ঘুম থেকে জেগে ওঠার সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটি অত্যন্ত ধীরগতিতে সম্পন্ন হয় এবং মানুষ কোন ঘুমের পর্যায়ে রয়েছে তার ওপর নির্ভর করে এই অনুভূতির তারতম্য ঘটে।

ঘুমন্ত অবস্থায় মস্তিষ্কের কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে এবং শরীর বিভিন্ন চক্রের মধ্য দিয়ে বিশ্রাম নেয়। ঘুম ভাঙার সময় মস্তিষ্ককে ধীরে ধীরে সক্রিয় করে তোলার পেছনে বিশেষ কিছু স্নায়বিক ব্যবস্থা কাজ করে থাকে। মস্তিষ্কের গভীর অংশ থেকে জাগরণের সংকেত প্রথমে রেটিকুলার অ্যাক্টিভেটিং সিস্টেম বা আরএএস নামক স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে থ্যালামাসে পৌঁছায়। এরপর সেই সংকেত চিন্তাভাবনা ও মনোযোগ নিয়ন্ত্রণকারী অংশ সেরিব্রাল কর্টেক্সে ছড়িয়ে পড়ার পর মানুষ পুরোপুরি সজাগ বোধ করে।

গভীর ঘুমের মুহূর্তে হঠাৎ করে অ্যালার্ম বেজে উঠলে ঘুম ভাঙলেও মস্তিষ্কের কার্যক্রম স্বাভাবিক হতে কিছুটা সময় নেয়। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় স্লিপ ইনার্শিয়া বলা হয়ে থাকে, যার ফলে চোখ খোলার পরও মাথা ভারী লাগা কিংবা ঝিমুনি ভাব বজায় থাকে। সাধারণত এই ঘোর ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে কেটে যায় এবং মস্তিষ্ক তার পূর্ণ কার্যক্ষমতা ফিরে পায়। তবে অনিয়মিত জীবনযাপন কিংবা দীর্ঘমেয়াদী ঘুমের ঘাটতি থাকলে এই অলসতা আরও বেশি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে।

সকালে ঘুম ভাঙার পরপরই শরীর নিস্তেজ থাকা সবসময় কোনো বড় রোগের লক্ষণ নয়, কারণ মস্তিষ্কের সম্পূর্ণ সজাগ হতে নির্দিষ্ট কিছু সময়ের প্রয়োজন হয়। কিন্তু পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরেও যদি সারাদিন অতিরিক্ত ঝিমুনি ভাব থাকে এবং দৈনন্দিন কাজে মনোযোগ দেওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে, তবে বিষয়টি এড়িয়ে না গিয়ে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ এর পেছনে ঘুমের গুণগত মানের ঘাটতি কিংবা অন্য কোনো শারীরিক সমস্যাও লুকিয়ে থাকতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page