রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
নাচোলে তিন দিনব্যাপী ইলা মিত্র মেলা শুরু সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডসে সেরা নতুন হোটেলের স্বীকৃতি পেল হায়াত প্লেস ঢাকা উত্তরা পর্যটন খাতে তরুণদের কাজের বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে সাত পুলিশ সদস্যের নামে মামলা, বিচার বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ সাজেক সড়কের অবরোধ প্রত্যাহার, স্বাভাবিক হচ্ছে যান চলাচল দুর্গাপূজায় দেশীয়র নতুন কালেকশন, শাড়ি কেনাকাটায় ছাড়ের সঙ্গে লুডু খেলেও মিলবে ডিসকাউন্ট ছোটবেলায় ফিট থাকা শিশুরা বড় হয়ে বিষণ্নতায় কম ভোগে, নতুন গবেষণা জীবন নামের রানওয়েতে নিজের লুক সার্ভ করে চলছেন আত্মবিশ্বাসী সাদিয়া জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী চার মূল্যস্তরে ১২ দামে সিগারেট, ব্র্যান্ড বদলের সুযোগ ব্যাপক

ছোটবেলায় ফিট থাকা শিশুরা বড় হয়ে বিষণ্নতায় কম ভোগে, নতুন গবেষণা

Reporter Name

স্বাস্থ্য ডেস্ক: শৈশবে নিয়মিত খেলাধুলা এবং শারীরিক কসরত করার অভ্যাস মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। সম্প্রতি প্রকাশিত একটি নতুন গবেষণায় এই তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকরা জানিয়েছেন, যেসব শিশু ছোটবেলা থেকেই দৌড়ঝাঁপ ও বিভিন্ন খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত থাকে, তাদের বড় বয়সে পৌঁছে মানসিক অবসাদ বা বিষণ্নতায় ভোগার ঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।

ওই গবেষণায় শৈশবের জীবনযাত্রার সঙ্গে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থার মানসিক সুস্থতার সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী পর্যবেক্ষণ চালানো হয়। এতে দেখা গেছে, যারা ছোটবেলায় শারীরিক দিক থেকে বেশ সক্রিয় ছিল, তারা বয়স বাড়ার সাথে সাথে মধ্যবয়স পর্যন্ত নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্য বেশ ভালো রাখতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে, শৈশবে অলস জীবন কাটানো শিশুদের ক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে মানসিক সমস্যায় পড়ার প্রবণতা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শৈশবের এই শারীরিক কর্মকাণ্ড মস্তিষ্কের গঠনে এবং হরমোনের ভারসাম্য রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিয়মিত খেলাধুলা করার ফলে শিশুদের শরীরে আনন্দদায়ক হরমোনের নিঃসরণ ঘটে, যা তাদের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ দূর করতে সাহায্য করে। এই ইতিবাচক প্রভাব শুধু শিশুকালেই সীমাবদ্ধ থাকে না, বরং তা পূর্ণবয়স্ক জীবনেও সুরক্ষিত রাখে।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে শিশুরা যখন স্ক্রিন বা গ্যাজেটের প্রতি বেশি আসক্ত হয়ে পড়ছে, তখন এই গবেষণাটি এক নতুন সতর্কবার্তা ও দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। গবেষকরা বলছেন, অভিভাবকদের উচিত শিশুদের ইনডোর গেমের পাশাপাশি আউটডোর খেলাধুলা ও শারীরিক কার্যক্রমে উৎসাহিত করা। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন শারীরিক স্থূলতা রোধ করা সম্ভব, অন্যদিকে নিশ্চিত করা যায় একটি সুস্থ ও সুন্দর মানসিক ভবিষ্যৎ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page