বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

যেসব দেশে বিড়ালের সংখ্যা বেশি, সেখানকার মানুষ বেশি সুখী, নতুন গবেষণা

Reporter Name

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের সুখের সূচক নিয়ে নিয়মিত নানা ধরনের গবেষণা পরিচালিত হয়। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা বিশ্বের প্রায় ৯৩টি দেশের বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে একটি অত্যন্ত চমকপ্রদ তথ্য উদ্ঘাটন করেছেন। এই গবেষণার মূল লক্ষ্য ছিল মানুষের মানসিক আনন্দ এবং গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে বিড়াল পালনের মধ্যে কোনো ধরনের যোগসূত্র রয়েছে কি না তা খুঁজে বের করা। দীর্ঘ গবেষণা শেষে গবেষকরা দেখতে পেয়েছেন যে, মানুষের ব্যক্তিগত বা সামাজিক সুখের সঙ্গে বিড়ালের উপস্থিতির একটি নিবিড় ও ইতিবাচক সম্পর্ক রয়েছে।

গবেষণার অংশ হিসেবে বিজ্ঞানীরা ৯৩টি দেশের পোষা প্রাণীর পরিসংখ্যান এবং সেখানকার নাগরিকদের সামগ্রিক জীবনমানের সূচকগুলো পাশাপাশি রেখে তুলনা করেন। পরিসংখ্যান অনুযায়ী, যেসব রাষ্ট্রে মানুষের ঘরে ঘরে বিড়াল পালনের প্রবণতা বেশি, সেখানকার নাগরিকদের সুখী হওয়ার হারও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি। বিশেষ করে উন্নত ও উন্নয়নশীল উভয় অঞ্চলেই এই অদ্ভুত সামঞ্জস্য লক্ষ্য করা গেছে। বিড়ালপ্রেমী সমাজগুলোতে মানুষের মানসিক অবসাদ ও চাপ অনেক কম থাকে বলে গবেষকরা তাদের পর্যবেক্ষণে উল্লেখ করেছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, বিড়ালের শান্ত স্বভাব এবং মানুষের সান্নিধ্যে আসার প্রবণতা মানুষের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থার ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। যখন কোনো ব্যক্তি একটি বিড়াল লালন-পালন করেন, তখন তার নিঃসঙ্গতা দূর হয় এবং মস্তিষ্কে সুখের হরমোন বা ডোপামিনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। তাছাড়া, বিড়ালের সঙ্গে সময় কাটালে মানুষের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং দৈনন্দিন জীবনের নানা মানসিক অস্থিরতা দূর হতে সাহায্য করে। এসব শারীরিক ও মানসিক সুবিধার কারণে সামগ্রिकভাবে ওই দেশের জনগোষ্ঠী মানসিকভাবে অনেক বেশি প্রফুল্ল ও সন্তুষ্ট থাকে।

তবে গবেষকরা এও উল্লেখ করেছেন যে, শুধু বিড়াল থাকলেই কোনো দেশের সবাই স্বয়ংক্রিয়ভাবে সুখী হয়ে যায় এমন নয়, এটি সামগ্রিক জীবনযাত্রার মানের একটি অন্যতম সহায়ক উপাদান মাত্র। অর্থনৈতিক সচ্ছলতা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং মানসিক শান্তির পরিবেশের সঙ্গে যখন বিড়াল পালনের মতো আনন্দদায়ক অভ্যাস যুক্ত হয়, তখন মানুষের সুখের মাত্রা বহুগুণ বেড়ে যায়। এই গবেষণার ফলাফল ভবিষ্যতে প্রাণীর সঙ্গে মানুষের মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page