রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
অলিম্পিকে আর্চার কুমকুম পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বললেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এসেছি’ ৪৪ উদ্ভাবন পেল বাংলাদেশ আইসিটি অ্যান্ড ইনোভেশন পুরস্কার রাতে ‘গরু চুরি’, সকালে পাশের গ্রামের বউভাত থেকে আটক ১ নতুন মাছ থেকে পোষা ড্রাগন, এআই বানাচ্ছে নতুন নতুন প্রাণী রামপালে রেকর্ড ১৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন, যুক্ত হচ্ছে জাতীয় গ্রিডে ককপিটে সহকারী পাইলটের হামলা, ১২ মিনিটের লড়াইয়ে বাঁচল ১৭৪ প্রাণ ছেলে-পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় স্কুলের মাঠে কলাগাছ লাগালেন জমিদাতা মাল্টার দাম নিয়ে মন্ত্রীকে কথা বলতে হলো কেন? মিরসরাইয়ে স্টিল কারখানায় দগ্ধ হয়ে চীনা প্রকৌশলীসহ ৩ জনের মৃত্যু

ছেলে-পুত্রবধূকে চাকরি না দেওয়ায় স্কুলের মাঠে কলাগাছ লাগালেন জমিদাতা

Reporter Name

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা বিদ্যালয়ে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। প্রতিষ্ঠানের দাতা সদস্যের সঙ্গে কর্তৃপক্ষের দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে সারি সারি কলাগাছ রোপণ করা হয়েছে। এছাড়া মূল ফটকে বাঁশের বেড়া দেওয়া এবং শিক্ষকদের কার্যালয়ের দরজায় অতিরিক্ত তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ছুটির দিনে এমন আকস্মিক কাণ্ডে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয় লোকজনের মধ্যে নানা আলোচনা চলছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালে পুঠিয়ার ভালুকগাছি গ্রামে ‘মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ’ নামে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি গড়ে তোলা হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ২০২৪ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘ভালুকগাছি মুক্তিযোদ্ধা স্কুল’ রাখা হয়। বর্তমানে প্রাথমিক পর্যায়ের পাশাপাশি ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নিয়মিত পাঠদান চলছে এবং পর্যায়ক্রমে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। তবে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই জমিদাতা আজাদ আলী ও বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মতবিরোধ চলে আসছিল।

প্রতিষ্ঠানটির দাতা সদস্য আজাদ আলীর দাবি, কারিগরি কলেজ প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে তিনি জমি দান করেছিলেন এবং তাঁর ছেলে ও ছেলের বউকে চাকরি দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেই অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান না হওয়া এবং পরিবারের সবাইকে চাকরি না দেওয়ায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। তাঁর আরও অভিযোগ, বিদ্যালয়ের স্বাভাবিক কার্যক্রমও ঠিকমতো পরিচালিত হচ্ছে না। এই ক্ষোভ থেকেই তিনি মূলত বিদ্যালয়ের মাঠে কলাগাছ লাগিয়েছেন এবং কার্যালয়ে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছেন বলে তিনি জানান।

অন্যদিকে প্রধান শিক্ষক সেলিম রেজা এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করে জানিয়েছেন যে আজাদ আলী প্রথমে নিঃশর্তভাবে জমি দান করলেও পরবর্তীতে নানা দাবি তুলতে শুরু করেন। প্রধান শিক্ষকের দাবি, ইতিমধ্যে তাঁর পরিবারের সদস্যদের চাকরির ব্যবস্থা করা হয়েছিল এবং পরবর্তী সময়ে অন্য পদগুলোতে নিয়োগের বিষয়েও কমিটির সম্মতি ছিল। এদিকে বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি তৌহিদুল ইসলাম এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছেন যে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে এ ধরনের কার্যক্রম কোনোভাবেই কাম্য নয় এবং বর্তমানে সেখানে নিয়মিত পাঠদান চলছে। বিষয়টির আইনি সুরাহার জন্য ইতোমধ্যে আদালতে মামলাও চলমান রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page