শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
পঞ্চমবারের মতো ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’ শুরু হচ্ছে কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফেরাতে ভারতকে চিঠি, অস্থিতিশীলতা কঠোরভাবে মোকাবিলার হুঁশিয়ারি সংস্কৃতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনা: নিহত ৭ জনের চারজন একই পরিবারের পৃথিবী ধ্বংস হবে আগামী ১৩ নভেম্বর, বিজ্ঞান গবেষণাপত্রে জাদুকরের ভবিষ্যদ্বাণী বৃদ্ধাশ্রমে প্রতিবন্ধী নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ইমাম বললেন—‘সেবা করতে গিয়েছিলাম’ ওয়াশিংটন-নয়াদিল্লি সম্পর্কে টানাপোড়েন, মতবিরোধ প্রকাশ্যে থানার সামনে পুলিশ সদস্যকে যুবদল নেতার মারধর, আটকের পর ছাড়া পেলেন বিএনপি নেতাদের জিম্মায় ময়মনসিংহে বাসের চাপায় অটোরিকশার ৭ যাত্রী নিহত ময়মনসিংহে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭ নিয়ম ভঙ্গের অভিযোগে ওপেনএআইয়ের ৩ গবেষক বরখাস্ত

পৃথিবী ধ্বংস হবে আগামী ১৩ নভেম্বর, বিজ্ঞান গবেষণাপত্রে জাদুকরের ভবিষ্যদ্বাণী

Reporter Name

১৯৬০ সালে বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী সায়েন্স একটি চাঞ্চল্যকর গবেষণাপত্র প্রকাশ করে যার শিরোনাম ছিল মহাপ্রলয় দিবস ১৩ নভেম্বর শুক্রবার ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ। অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান অধ্যাপক ও সাইবারনেটিক্স বিশেষজ্ঞ হেইঞ্জ ফন ফোয়ারস্টার এবং তাঁর দুই শিক্ষার্থী এই গবেষণার পেছনে ছিলেন। তাদের দাবি ছিল নির্দিষ্ট এই দিনে পৃথিবীর মানব জনসংখ্যা অসীমের কাছাকাছি পৌঁছাবে এবং মানুষ নিজেই নিজেদের ধ্বংস করবে। এই অদ্ভুত ও ভয়ংকর দাবিটি দ্রুত সাধারণ মানুষের পাশাপাশি বিজ্ঞানী মহলেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয় এবং দীর্ঘদিন ধরে এ নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলে।

গবেষকদের মূল যুক্তি ছিল মানুষের জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার অন্যান্য জীবের মতো সাধারণ সূচকীয় নয় বরং এই বৃদ্ধির হারও ক্রমাগত তরান্বিত হয়। তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন যে ভবিষ্যতে অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপে মানুষ অনাহারে নয় বরং তীব্র সংকটে পিষ্ট হয়ে মারা যাবে। বিগত দুই হাজার বছরের জনসংখ্যার ২৪টি হিসাব বিশ্লেষণ করে তারা এই জটিল গাণিতিক সমীকরণ তৈরি করেছিলেন। তৎকালীন সময়ে বিশ্বজুড়ে জনসংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে এক ধরনের সামাজিক উদ্বেগ কাজ করছিল এবং এই গবেষণাপত্রটি সেই আশঙ্কায় নতুন মাত্রা যোগ করেছিল।

প্রকাশের পরপরই গবেষণাপত্রটি নিয়ে টাইমস্ এবং দ্য নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এমনকি বিভিন্ন দেশের নীতিনির্ধারক ও আইনি কার্যক্রমেও এই জনসংখ্যার প্রাক্কলনটি উদ্ধৃত হতে শুরু করে। দীর্ঘ সময় ধরে এই সমীকরণটি বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পাঠ্যবই এবং গবেষণায় অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে। তবে নব্বইয়ের দশকের শুরুর দিকে পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে এবং বিশ্বের বাস্তব জনসংখ্যা ওই கணிিতিক পূর্বাভাসের তুলনায় পিছিয়ে পড়তে থাকে।

প্রকৃতপক্ষে গবেষকদের সেই সতর্কবার্তার পর বিশ্বজুড়ে জন্মহার নাটকীয়ভাবে কমতে শুরু করে যা বর্তমানে ১৯৬০ দশকের তুলনায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জন্মহার কমে যাওয়ার ফলে নির্ধারিত ওই দিনে কোনো মহাপ্রলয় ঘটার আশঙ্কা নেই বললেই চলে। তবে কঠোর বৈজ্ঞানিক গবেষণার সঙ্গে নাটকীয় উপস্থাপনার এই মেলবন্ধন বিজ্ঞান ইতিহাসের এক অনন্য উদাহরণ হিসেবে আজও মানুষের মনে কৌতূহল জাগিয়ে রাখে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page