মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
থার্ড টার্মিনালের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ: তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব কোটি মানুষের খাদ্য জোগাতে পারে এই ‘মিথ্যা কলা’ গাছ মাদ্রাসার ছাদে দগ্ধ ৫ শিক্ষার্থীর একজনের মৃত্যু বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ থেকে বাদ পড়লেন সালমান এফ রহমান মাগুরায় এক বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বই বিক্রি কি নিষিদ্ধ? হুইপের কণ্ঠ নকল করে সাড়ে ৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ: গ্রেপ্তার ২, রিমান্ডে ১ ‘মৃত্যুর দিন পর্যন্ত বডিবিল্ডার হয়ে থাকতে চাই’: কীভাবে নিজের ফিটনেস ধরে রেখেছেন ১৯ বার শিরোপা জেতা ৯০ বছরের বডিবিল্ডার জানুয়ারি থেকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, শেষ ৬ জুনের মধ্যে: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ২৭৬ কোটি টাকা আত্মসাৎ হাসিনা-রেহানার, তথ্য চেয়ে ৪১ ব্যাংককে দুদকের চিঠি

মাগুরায় এক বাড়ির বিদ্যুৎ বিল ৫০৬ কোটি টাকা, চারজনকে শোকজ

Reporter Name

মাগুরা সদর উপজেলার মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের এক সাধারণ গ্রাহকের নামে পাঁচশ কোটি টাকার বেশি বিদ্যুৎ বিল ইস্যু করার ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের বিপরীতে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির পক্ষ থেকে এই অস্বাভাবিক ও আকাশছোঁয়া অংকের বিল পাঠানো হয়। অথচ এই পরিমাণ বিদ্যুতের জন্য প্রকৃত বিল আসার কথা ছিল দুই হাজার টাকারও কম। আকস্মিক এমন আজগুবি অংকের বিল হাতে পেয়ে গ্রাহক ও তার পরিবার চরম আতঙ্ক ও বিপাকে পড়েন।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গত সেপ্টেম্বর মাসের বিদ্যুৎ বিল হিসেবে ওই গ্রাহকের নামে মোট ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা দাবি করা হয়। মিটারের রিডিং অনুযায়ী নির্ধারিত ব্যবহারের বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ এবং ভ্যাটের নামে মূলত এই বিশাল অঙ্কের অর্থ যোগ করা হয়েছিল। এমনকি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরিশোধ না করলে এই বিল আরও বেড়ে পাঁচশ ত্রিশ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা উল্লেখ ছিল। অথচ স্বাভাবিক নিয়মে সব খরচ মিলিয়ে বিলটি হওয়ার কথা ছিল মাত্র এক হাজার ৯৬৩ টাকা।

অস্বাভাবিক এই বিলের কাগজটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তের মধ্যে তা ভাইরাল হয়ে যায় এবং স্থানীয় মহলে তীব্র আলোচনার সৃষ্টি হয়। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সব মহলেই এমন দায়িত্বহীন ভুলের তীব্র সমালোচনা শুরু হয়। ভুক্তভোগী গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন এই ঘটনাকে শুধুমাত্র ভুতুড়ে নয় বরং চরম আজগুবি বলে মন্তব্য করেন এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর নড়েচড়ে বসে বিদ্যুৎ অফিসের কর্তৃপক্ষ এবং দ্রুত ভুল সংশোধন করে নতুন বিল তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত সেই বিল ব্যাংকে গিয়ে পরিশোধ করেন গ্রাহক। এদিকে, বিল প্রস্তুতের ক্ষেত্রে এত বড় ভুলের জন্য মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসের ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার মো. রেজাউল করিমসহ মোট চারজনকে আনুষ্ঠানিকভাবে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করা হয়েছে। মিটার পরিবর্তনের সময় ভুলবশত সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে চলে যাওয়ায় এই বিপত্তি ঘটেছিল বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page