শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:০৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
৩৪ বছর পর এই প্রথম কোনো শিশু জন্মাল প্রত্যন্ত এক স্কটিশ দ্বীপে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির কার্যালয়ে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমান নাৎসি বন্দিশিবিরে অপরাধের অভিযোগে তদন্তের মুখে ১০৫ বছর বয়সী ব্যক্তি ইরান যুদ্ধ থামাতে যুক্তরাষ্ট্রকে সংলাপে ফেরার আহ্বান শি জিনপিংয়ের রাশিয়ার জন্য এবারের শীতকে যন্ত্রণাদায়ক করে তুলব—জাতিসংঘে জেলেনস্কির হুঁশিয়ারি ট্রাম্প-সি বৈঠক: বাণিজ্য, এআই ও তাইওয়ান নিয়ে আলোচনায় দুই নেতা হোয়াইট হাউসে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে ট্রাম্প-শি, আলোচনায় বাণিজ্য-প্রযুক্তি-নিরাপত্তা জাতিসংঘে সাধারণ পরিষদের সভাপতির দপ্তরে ‘লিগ্যাল অফিসার’হলেন জাইমা হোয়াইট হাউসে সি—ট্রাম্প বললেন, মার্কিন-চীন সম্পর্ক নিয়ে আমি গর্বিত জুডিশিয়াল সার্ভিসে সুপারিশ পেলেন তুরি জনগোষ্ঠীর কাজল পাঁড়ে

ট্রাম্প-সি বৈঠক: বাণিজ্য, এআই ও তাইওয়ান নিয়ে আলোচনায় দুই নেতা

Reporter Name

দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর ওয়াশিংটনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। দুই দেশের শীর্ষ এই নেতার মধ্যকার এই বৈঠকে বিশ্বরাজনীতি ও অর্থনীতির বিভিন্ন জটিল দিক স্থান পায়। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বৈশ্বিক রাজনীতিতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যকার প্রতিযোগিতামূলক সম্পর্কের প্রেক্ষাপটে এই সাক্ষাৎ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। বৈঠকে উভয় পক্ষই দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করে।

আলোচনার মূল এজেন্ডার মধ্যে ছিল দুই দেশের মধ্যকার জটিল বাণিজ্য সমীকরণ এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধির উপায়। মার্কিন পক্ষ থেকে চীনের বাণিজ্য নীতির কিছু নির্দিষ্ট দিক নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়, অন্যদিকে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকেও বৈশ্বিক বাজারে সমান সুযোগের দাবি জানানো হয়। দুই নেতা বাণিজ্য ঘাটতি কমানোর পাশাপাশি পারস্পরিক শুল্ক ও অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতা দূর করতে যৌথভাবে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির স্বার্থে দুই পরাশক্তির মধ্যে সৌহার্দপূর্ণ বাণিজ্য সম্পর্ক বজায় রাখার তাগিদ দেওয়া হয়।

বাণিজ্য বিষয়ের পাশাপাশি বৈঠকে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। প্রযুক্তি খাতের তীব্র প্রতিযোগিতার যুগে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিরাপত্তা ও নৈতিকতা নিশ্চিত করতে দুই দেশ একযোগে কাজ করার সম্ভাবনা খতিয়ে দেখে। এ ছাড়া অত্যন্ত সংবেদনশীল ভূরাজনৈতিক ইস্যু হিসেবে তাইওয়ান প্রণালীর পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন এবং বেইজিংয়ের সামরিক তৎপরতা নিয়ে নিজেদের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেন।

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব ভবিষ্যতে উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ অব্যাহত রাখার ব্যাপারে সম্মত হন। চলমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা প্রশমনে এই ধরনের সরাসরি কূটনৈতিক বৈঠক ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে উভয় পক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করে। যদিও কিছু বিষয়ে দুই দেশের মধ্যে মতপার্থক্য অপরিবর্তিত রয়েছে, তবুও বিশ্ববাসীর নজর এড়ানো এই বৈঠক আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page