
জুলাই অভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই ঐতিহাসিক রায় প্রদান করেন। এই রায়ের মাধ্যমে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত বিচার প্রক্রিয়ার একটি বড় ধাপ সম্পন্ন হলো, যা দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
তবে এই রায় ঘোষণার ঠিক পরপরই দেশের সর্বোচ্চ আদালত প্রাঙ্গণে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়। সাম্প্রতিক ওই আদালতের মূল ফটকের সামনে একটি আকস্মিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। দুপুর সোয়া ১টা থেকে ১টা ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতির প্রবেশপথে এই বিস্ফোরণ ঘটানো হয়, যা উপস্থিত লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়।
ঘটনার পরপরই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কে বা কারা এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল এবং ককটেল ছুড়ে পালিয়ে গেছে, সে বিষয়ে কোনো নিশ্চিত তথ্য জানাতে পারেননি দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।
শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকে এই ককটেল বিস্ফোরণের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান যে পুলিশ ইতিমধ্যে ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে এবং ফুটেজগুলো নিবিড়ভাবে বিশ্লেষণ করে অপরাধীদের চিহ্নিত ও আইনের আওতায় আনার জন্য জোর চেষ্টা চলছে।