শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫০ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ধর্মীয় উৎসব পালনে নিরাপত্তা চাওয়ার পরিস্থিতি দুঃখজনক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নাগরিক হিসেবে সবার অধিকার সমান: কৃষিমন্ত্রী ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: সেতুমন্ত্রী জামায়াতের সঙ্গে এনসিপি একাকার হওয়ার অভিযোগ তুলে দল ছাড়লেন কেন্দ্রীয় নেতা ভারত থেকে এল ১৮ নতুন রেলকোচ, আসবে আরো ১৮২ দুর্গাপূজায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানালেন ড. ইউনূস দেশে উচ্চশিক্ষিত তরুণদের ২৯ শতাংশ বেকার, অর্ধেকের যোগ্যতা পুরোপুরি কাজে লাগছে না বাংলাদেশের মতো সরকার পতনে বিজেপি কেন সতর্ক করছে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন দেখো, বিশ্বজুড়ে… | স্টাডি অ্যাব্রোড ফেয়ার ২০২৬ | পর্ব-০৩ ভোলায় গ্যাস সংযোগসহ ৫ দাবিতে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও অধিকার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব: সেতুমন্ত্রী

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের স্বাধীনতা এবং অধিকার রক্ষা করা রাষ্ট্র ও সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি স্পষ্ট করে জানান যে, ধর্মীয় অধিকার অর্জনের বিষয়টি কোনো দয়া কিংবা অনুগ্রহের ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি জন্মসূত্রে প্রতিটি মানুষের মৌলিক অধিকার। সমাজে বসবাসকারী সকল মানুষের সমান মর্যাদা, পূর্ণ অধিকার এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মাধ্যমেই একটি শক্তিশালী ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব বলে তিনি উল্লেখ করেন। রাজধানীতে ধানমন্ডি সর্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির উদ্যোগে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মতামত তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন যে, এ দেশের সব মানুষের প্রাথমিক ও প্রধান পরিচয় হলো তারা সবাই বাংলাদেশি নাগরিক। ধর্ম, বর্ণ কিংবা জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তিতে জনগণের মধ্যে কোনো ধরনের বৈষম্য বা বিভাজন তৈরি করার অবকাশ নেই। মানুষের শুধু সাংবিধানিক বা মৌখিক অধিকারের স্বীকৃতি দিলেই চলবে না, বরং মাঠপর্যায়ে তা বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ যেন কোনো ধরনের ভয়ভীতি বা বাধা ছাড়াই স্বাধীনভাবে নিজেদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি উদযাপন করতে পারেন, তার অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা সরকারের নিয়মিত কাজের অংশ।

ধর্মকে রাজনীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার প্রবণতার তীব্র সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন যে, ধর্ম মূলত মানুষের আত্মিক উন্নয়ন ও স্রষ্টার সান্নিধ্য অর্জনের একটি পবিত্র মাধ্যম। কোনো বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী বা দল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য সাধারণ মানুষের ধর্মীয় আবেগকে অপব্যবহার করবে, এমন পরিস্থিতি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। সকল নাগরিকের জন্য ধর্মীয় চর্চার পরিবেশ হতে হবে সম্পূর্ণ নিরাপদ, স্বাধীন এবং উন্মুক্ত। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য বিশেষ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। উৎসবকালীন সরকারি ছুটি বাড়ানো ছাড়াও সাধারণ মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের সমন্বয়ে নানা কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

নিজের নির্বাচনী এলাকার সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন যে, একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে এলাকার প্রতিটি নাগরিকের নায্য অধিকার সংরক্ষণ করা তার পবিত্র দায়িত্ব। এলাকার পূজামণ্ডপ আয়োজকদের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে তিনি জানান যে, প্রতি বছর অস্থায়ীভাবে মণ্ডপ তৈরীর ভোগান্তি কমাতে স্থায়ী পূজামণ্ডপ নির্মাণের জন্য উপযুক্ত সরকারি জমি বরাদ্দের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া দুর্গাপূজায় সরকারি অনুদানও বৃদ্ধি করা হয়েছে বলে তিনি জানান। পরিশেষে, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সমাজের সকল স্তরের মানুষের মাঝে পারস্পরিক সৌহার্দ্য, শ্রদ্ধাবোধ ও অসাম্প্রদায়িক চেতনা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page