শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
কেবল একাডেমিক শিক্ষা নয়, শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে ব্যবহারিক ও প্রযুক্তিগত দক্ষতার সমন্বয় অপরিহার্য: শিক্ষামন্ত্রী আজ ডেডলাইন: সরকারি ও বেসরকারিসহ তিন প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ আপত্তি ও কাটছাঁটে আটকে আছে নদী কমিশন আইন ৪১ বলে ৮৫ রানের পর ১০০ বলে ১৫১, চমক দেখাচ্ছেন রাহুল দ্রাবিড়ের ছেলে দীর্ঘস্থায়ী কিডনি রোগে দরকার সচেতনতা সার ডিলার নিয়োগে দুর্নীতি : বাড়ছে পাচার ও মজুতের ঘটনা লোকবল নিয়োগ ও ব্যয় কমানোর বিকল্প নেই পদ্মা সেতুর সুফল পেতে বাধা দূর করুন যারা দেশকে অচল করতে চেয়েছে, আজকের বিরোধী দল তাদেরই সঙ্গী: এ্যানি ক্যাডেট কলেজে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি, নম্বর কমল, আবেদন শুরু ১ নভেম্বর

পদ্মা সেতুর সুফল পেতে বাধা দূর করুন

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় বিপ্লব ঘটানো পদ্মা সেতু থেকে সম্পূর্ণ সুফল পেতে হলে এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রকল্পের প্রতিবন্ধকতাগুলো দ্রুত দূর করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সেতু চালুর পর যাতায়াত সহজ হলেও এর আশপাশের সংযোগ সড়ক এবং আনুষঙ্গিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনিক জটিলতা ও আমলাতান্ত্রিক দীর্ঘসূত্রতার কারণে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো কাঙ্ক্ষিত গতি পাচ্ছে না। এর ফলে সাধারণ মানুষ ও পরিবহন খাতের ব্যবসায়ীরা সেতুর সুফল পুরোপুরি ভোগ করতে পারছেন না বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এই সামগ্রিক পরিস্থিতির একটি বড় বাধা হলো ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাব যা বর্তমানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিবেচনাধীন রয়েছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং নির্মাণসামগ্রীর দাম বেড়ে যাওয়ায় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো নির্ধারিত বাজেটের মধ্যে কাজ শেষ করতে হিমশিম খাচ্ছে। ব্যয় সংশোধনের এই প্রস্তাবগুলো অনুমোদন না পাওয়ায় অনেক প্রকল্পের কাজ মাঝপথেই শ্লথ হয়ে পড়েছে। এ ধরনের আর্থিক অমীমাংসিত বিষয়গুলোর কারণে কাজ শেষ হওয়ার সময়সীমা দীর্ঘায়িত হচ্ছে এবং প্রকল্পের সামগ্রিক ব্যয় আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা এই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের যৌক্তিক দাবিগুলো যাচাই-বাছাই করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে কাজের গুণগত মান বজায় রেখে এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করেই এই ব্যয় বৃদ্ধির প্রস্তাবগুলো নিষ্পত্তি করতে চায় কর্তৃপক্ষ। সংশ্লিষ্টদের মতে, মন্ত্রণালয় যদি দ্রুত এই জটিলতা কাটিয়ে উঠতে পারে তবে স্থবির হয়ে থাকা কাজগুলো পুনরায় গতি পাবে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পদ্মা সেতু কেবল একটি সেতু নয় বরং এটি দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক করিডোর হিসেবে কাজ করছে। তাই এই মেগা প্রকল্পের সুফল তৃণমূল পর্যায়ে ছড়িয়ে দিতে হলে সব ধরনের দৃশ্যমান ও অদৃশ্য বাধা দূর করার বিকল্প নেই। যত দ্রুত সম্ভব ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয় করে অমীমাংসিত আর্থিক ও প্রশাসনিক বিষয়গুলোর সুরাহা করতে হবে। এতে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে এবং কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page