রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সরকারকে নয়, এবার ১৮ কোটি মানুষকে সহযোগিতা করব: জামায়াত আমির নিষিদ্ধ হলেও ক্রিপ্টোকারেন্সি ব্যবহারে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫৬তম অস্ত্রোপচারের পর বমি বমি ভাব কমাতে সাহায্য করতে পারে নয়েস ক্যান্সেলিং হেডফোন লিবিয়ায় অভিবাসীবিরোধী বিক্ষোভ, আতঙ্কে প্রবাসীরা দ্রুত বিয়ে হওয়ার ৫ আমল ও দোয়া রিজওয়ানের ফেরার পথ খুলে দিল পিসিবি ‘শুভ শক্তির জয় হোক’: বধূর সাজ আর দেবীর রূপের লুক বলছে কোনও নেতিবাচকতাই ম্লান করতে পারে না তাঁর সৌন্দর্য হামের চিকিৎসায় ঘাটতি না রাখতে নির্দেশনা দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী: রিজভী দিল্লি যাবেন না, মুম্বাইয়ে বৈঠক করবেন রুবিও, ভারতকে কী বার্তা দিল যুক্তরাষ্ট্র ‘সবার আগে দেশ নয়, এখন সবার আগে বিএনপি’: আব্দুস সাত্তার এমপি

নীল–সবুজ পানির লালাখাল

Reporter Name

ভ্রমণ ডেস্ক: সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলায় অবস্থিত লালাখাল দেশের অন্যতম জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় একটি প্রাকৃতিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা কালাহাদ নদী বা সারি নদী এই খালের মূল উৎস, যার ফলে এর রূপ এক ভিন্ন মাত্রা পেয়েছে। চারপাশের পাহাড়ি সবুজ বনানী আর স্বচ্ছ জলের মিতালি এই স্থানটিকে পর্যটকদের কাছে স্বর্গরাজ্যে পরিণত করেছে। প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শত শত প্রকৃতিপ্রেমী এই অনন্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে ছুটে আসেন।

লালাখালের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর পানির অদ্ভুত এবং পরিবর্তনশীল রঙ। কখনো এর পানি গাঢ় নীল, আবার কখনো স্বচ্ছ সবুজ রঙ ধারণ করে যা পর্যটকদের বিমোহিত করে। পাহাড়ি ঝরনার ধারা এবং খাসিয়া জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশের মধ্য দিয়ে বয়ে চলা এই খালের জল এতটাই পরিষ্কার যে তলদেশের সবকিছু স্পষ্টভাবে দেখা যায়। বর্ষাকালে এই অঞ্চলের রূপ আরও বেশি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে যখন চারপাশের প্রকৃতি নতুন প্রাণের ছোঁয়া পায়।

নৌভ্রমণ এই এলাকায় ঘুরতে আসা পর্যটকদের প্রধান আকর্ষণ এবং ভ্রমণের মূল মাধ্যম। সারি সারি কাঠের নৌকায় চড়ে খালের বুক চিরে এগিয়ে যাওয়ার সময় দুই তীরের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য ভ্রমণপিপাসুদের মনে গভীর দাগ কাটে। স্থানীয় মাঝি ও পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানান, ছুটির দিনগুলোতে এখানে পর্যটকদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়। খালের দুপাশের স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা এবং তাদের আতিথেয়তাও পর্যটকদের ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে তোলে।

তবে অপরিকল্পিত পর্যটন এবং পরিবেশ সচেতনতার অভাবে এই প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের স্থায়িত্ব নিয়ে মাঝেমধ্যে শঙ্কা প্রকাশ করেন পরিবেশবিদরা। লালাখালের পরিবেশ ও পানির স্বাভাবিক রং অক্ষুণ্ণ রাখতে পর্যটকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে এই পর্যটনকেন্দ্রটি দেশের অর্থনীতিতে আরও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page