শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
প্রতিটি ধর্মই মানুষকে সত্য, ন্যায় ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়: রাষ্ট্রপতি ভোরে প্রশ্নপত্র আসে এনবিআরের দুই কর্মীর কাছে, কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে উত্তর ৮-১০ লাখে যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁস, গ্রেপ্তার ৭ জনের ৫ জনই সরকারি কর্মচারী অনলাইনে আকর্ষণীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে বিশ্বজুড়ে গুপ্তচরবৃত্তি চালিয়েছে ইসরায়েলি কোম্পানি মানারাতে দুই দিনব্যাপী স্টেম ফেস্ট শুরু, অংশ নিচ্ছে ৮ শতাধিক শিক্ষার্থী নরেন্দ্র মোদির কণ্ঠে চার দেশের সামরিক সুরক্ষায় শেখ হাসিনার ফেরার বার্তাটি এআই নির্মিত স্কুল ছুটির পর যে কারণে শিশুকে রাস্তার খাবার দেবেন না সাইবার সিকিউরিটি আইন প্রয়োজন, তবে সাংবাদিকতা ব্যাহত করা যাবে না: প্রেস সচিব ৫২ বছর বয়সে তৃতীয় সন্তান, অভিনেত্রী বললেন, ‘ডিসেম্বরেই মুক্তি পাচ্ছে’ এনআরবিসি ব্যাংকে নিয়োগ, আবেদন অনলাইনে

স্কুল ছুটির পর যে কারণে শিশুকে রাস্তার খাবার দেবেন না

Reporter Name

লাইফস্টাইল ডেস্ক: প্রতিদিন স্কুল ছুটির পর দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের গেটের সামনে অভিভাবক ও শিশুদের ভিড় জমে ওঠে। এ সময় অনেক শিশু ফুটপাতের ভ্যান বা দোকান থেকে শিঙাড়া, সমুচা, ফুচকা, চটপটি, বার্গার কিংবা ফ্রায়েড চিকেনের মতো মুখরোচক খাবার কিনে খায়। অনেক সময় অভিভাবকেরাও সন্তানের সঙ্গে এই অস্বাস্থ্যকর খাবারে অংশ নেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই অভ্যাস কেবল শিশুদের জন্যই নয়, বরং বড়দের স্বাস্থ্যের জন্যও মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে। দীর্ঘ মেয়াদে এই ধরনের খাদ্যাভ্যাস পুরো পরিবারের জন্যই বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি ডেকে আনতে পারে।

স্কুলে টানা পাঁচ থেকে ছয় ঘণ্টা কাটানোর পর শিশুদের তীব্র ক্ষুধা পাওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক একটি শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। অনেক শিশু স্কুলের টিফিন ঠিকমতো শেষ করে না, আবার কেউ কেউ সকালে ঠিকমতো নাশতা না খেয়েই ক্লাসে চলে যায়। ফলে ছুটির ঘণ্টা বাজার পর তাদের সামনে যা আসে, সেটাই সবচেয়ে লোভনীয় মনে হয়। রাস্তার এসব খাবার সহজে প্রস্তুতযোগ্য, সুগন্ধযুক্ত ও দেখতে আকর্ষণীয় হওয়ায় শিশুরা দ্রুত সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হয়। এছাড়া স্কুল প্রাঙ্গণে ব্যবসায়ীদের সহজলভ্য উপস্থিতি শিশুদের এই ক্ষতিকর খাবারের প্রতি আরও বেশি আসক্ত করে তোলে।

নিয়মিত রাস্তার ভাজাপোড়া ও ফাস্টফুড খাওয়ার ফলে শিশুর শরীরে নানা ধরনের জটিলতা তৈরি হতে পারে। গভীর তেলে বারবার ভাজা খাবারে পুষ্টির বদলে ক্ষতিকর উপাদান ও অতিরিক্ত ক্যালরি থাকে, যা শিশুর মুটিয়ে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ায়। তাছাড়া খোলা পরিবেশে তৈরি হওয়ায় এসব খাবারে ধুলাবালি ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মিশে থাকে, যা ডায়রিয়াসহ নানা খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। অতিরিক্ত লবণ ও চিনির উপস্থিতির কারণে দাঁতের ক্ষতি এবং উচ্চ রক্তচাপের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব মুখরোচক খাবার পেট ভরাট করে ফেলায় শিশুরা পরবর্তীতে পুষ্টিকর ও ঘরে তৈরি খাবার খাওয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।

শিশুদের এই অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস থেকে দূরে রাখতে হলে কেবল নিষেধ করলে চলবে না, বরং বড়দের নিজেদের আচরণেও পরিবর্তন আনতে হবে। পরিবারের সদস্যরা যদি নিজেরাও জাংক ফুড বা ফাস্টফুড খাওয়া থেকে বিরত থাকেন এবং ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবারকে প্রাধান্য দেন, তবে তা শিশুদের মনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। স্কুল ছুটির মুহূর্তের ক্ষুধা নিবারণের জন্য অভিভাবকদের আগে থেকেই প্রস্তুতি নিতে হবে। সন্তানের ব্যাগে বা সঙ্গে করে স্বাস্থ্যকর খাবার যেমন মৌসুমি ফল, সেদ্ধ ডিম, ঘরে তৈরি স্যান্ডউইচ বা বাদাম ও ছোলার মিশ্রণ রাখা যেতে পারে। এর পাশাপাশি কোমল পানীয়ের বদলে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পানের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page