শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সিম্পসন’স প্যারাডক্স: যখন পরিসংখ্যান মিথ্যা না বলেও ধোঁকা দেয় মানসিক স্বাস্থ্য: যাদের কথা শোনা জরুরি রাত জেগে মায়ের লিখে দেওয়া নোট পড়ে সফলতা পেল তাসমিয়া মালয়েশিয়া কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন হাফেজ ইহতেশামুল হক রমজানের বাকি ১২০ দিন: প্রস্তুতি শুরু করুন এখনই ব্র্যাক ব্যাংক-সমকাল সাহিত্য পুরস্কার ঘোষণা, আজীবন সম্মাননা পেলেন দুই বরেণ্য লেখক ‘আদালতে পা দিলেই মনে হয় এ বুঝি ভবন ধসে পড়বে’ কাঁচি থেকে ওয়াশিং পাউডারের বোতল, এই জাদুঘরের প্রতিটি স্মারকের সঙ্গে জড়িয়ে আছে নোবেলজয়ীদের গল্প চ্যাটজিপিটির গণিত গবেষণা নিয়ে বিতর্ক, ওপেনএআই বয়কটের ডাক গণভোটকে অস্বীকার করে জাতির সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে বিএনপি: মামুনুল হক

মালয়েশিয়া কোরআন প্রতিযোগিতায় প্রথম হলেন হাফেজ ইহতেশামুল হক

Reporter Name

ধর্ম ডেস্ক: মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় বিশ্বজয় করে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন বাংলাদেশের কৃতী হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরা। বিশ্বের শতাধিক দেশের প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে তিনি হিফজুল কোরআন বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন। ঢাকার মিরপুর এলাকার মারকাযু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামীর এই শিক্ষার্থীর এই সাফল্যে পুরো দেশবাসী গর্বিত ও আনন্দিত। আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় লাল-সবুজের পতাকা বিশ্বদরবারে উঁচুতে তুলে ধরেছেন এই তরুণ মেধাবী হাফেজ।

কয়েক ধাপে কঠোর বাছাই প্রক্রিয়ার পর চূড়ান্ত পর্বে বিশ্বের ৩৮টি দেশের প্রতিযোগীরা এই মর্যাদাপূর্ণ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেছিলেন। পাঁচ দিনব্যাপী এই প্রতিযোগিতার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে দেশটির সরকারের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। পরে প্রতিযোগিতার ধর্মবিষয়ক মন্ত্রী বিজয়ীদের হাতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার তুলে দেন এবং সফল হাফেজদের অভিনন্দন জানান।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করার স্বীকৃতিস্বরূপ হাফেজ ইহতেশামুল হক হিরাকে বেশ কিছু আকর্ষণীয় পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। তাকে সম্মাননা ট্রফির পাশাপাশি নগদ ৪০ হাজার মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া পুরস্কারের অংশ হিসেবে তিনি পেয়েছেন পাঁচ হাজার রিঙ্গিত মূল্যের উমরাহ বা মুসলিম পর্যটন প্যাকেজ এবং তিন হাজার রিঙ্গিত মূল্যের একটি স্বর্ণের বার। তার এই অভাবনীয় অর্জনে দেশের ইসলামিক অঙ্গনে আনন্দের জোয়ার বইছে এবং বিভিন্ন মহল থেকে তাকে অভিনন্দন জানানো হচ্ছে।

এর আগেও এই মাদরাসার শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দেশের আন্তর্জাতিক কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে প্রথম স্থানসহ নানা গৌরবোজ্জ্বল সাফল্য অর্জন করেছেন। হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিম, মুয়াজ মাহমুদ, আনাস মাহফুজ ও সাদ নুরের মতো প্রতিভাবানরা এর আগে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছিলেন। ২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠিত এই মাদরাসাটি স্বল্প সময়ের মধ্যেই দেশের অন্যতম সেরা একটি শীর্ষস্থানীয় দ্বীনি বিদ্যাপীঠ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হয়েছে। গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদের খতিব মুফতি মুরতাজা হাসান ফয়েজী মাসুম এই সফল মাদরাসাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালকের দায়িত্ব পালন করছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page