শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৩৫ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ঢাকার প্রতিটি ফুটপাত দখলমুক্ত করা হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক চাঁদাবাজি বন্ধ, গ্যাস-বিদ্যুৎ ও জ্বালানির সহনীয় মূল্যের দাবিতে জমিয়তের বিক্ষোভ মানব পাচার নির্মূলের ন্যূনতম মানদণ্ড পুরোপুরি অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ নিউমুরিং টার্মিনাল ইজারা বাতিলের দাবিতে বরিশালে বাসদের বিক্ষোভ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের তিন নেতা ও হল সংসদের জিএসের ছাত্রত্ব সাময়িক বাতিল চট্টগ্রামে দেশের প্রথম সাইকেল ট্র্যাক, উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী শাহজালালের থার্ড টার্মিনাল: ৪টি গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করল জাপানি কনসোর্টিয়াম ৪৯তম বিসিএসে ৬৫১ জনকে নিয়োগ, যোগদানের সময় জানাল শিক্ষা মন্ত্রণালয় মঙ্গল গ্রহের বিরল ছবি তুলল নাসা ‘চাঁদা না পেয়ে’ ট্রাক এনে লুটপাট; সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না?

মঙ্গল গ্রহের বিরল ছবি তুলল নাসা

Reporter Name

প্রযুক্তি ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার রোবটযান কিউরিওসিটি মঙ্গল গ্রহের ভোরের আলোয় আলোকিত খাড়া পাহাড়ের অত্যন্ত বিশদ ও বিরল কিছু ছবি ধারণ করেছে। গত ১১ আগস্ট কিউরিওসিটির মাস্টক্যাম যন্ত্রের সাহায্যে এই ছবিগুলো তোলা হয় এবং পরবর্তীতে সেগুলোকে জোড়া লাগিয়ে একটি বিস্তৃত দৃশ্যপট তৈরি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে লাল গ্রহের ভূপ্রকৃতির এমন স্পষ্ট ছবি পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন বিজ্ঞানীরা, যা সম্প্রতি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। প্রকাশিত এই ছবিগুলোতে বাতাসের ক্ষয়ে তৈরি পাহাড়ের খাঁজ ও সুনির্দিষ্ট গঠন অত্যন্ত স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।

ছবিটিতে মঙ্গলের ভোরের আলোর সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক রূপ বজায় রাখা হয়েছে। নাসা জানিয়েছে যে ছবিগুলো প্রক্রিয়াজাতকরণের সময় কৃত্রিমভাবে কোনো সাদা রঙের ভারসাম্য রক্ষা করা হয়নি, যার ফলে সকালের মিষ্টি আলোয় পাহাড়ের প্রকৃত সৌন্দর্য ও গঠন চোখের সামনে ভেসে ওঠে। এই বিশদ চিত্রগুলো বিজ্ঞানীদের লাল গ্রহের পাহাড় ও শৈলশিরাগুলোর উৎপত্তির ইতিহাস সম্পর্কে আরও গভীরভাবে বুঝতে সাহায্য করবে। বিশেষ করে সুদূর পাহাড়ের গায়ে সকালের তির্যক আলো পড়ার কারণে সেগুলোর ভেতরের স্তর বিন্যাস ও ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্যগুলো খুব সহজে চিহ্নিত করা সম্ভব হচ্ছে।

ছবিতে দিগন্তজুড়ে দৃশ্যমান লম্বা ও খাঁজকাটা শৈলশিরাগুলোকে ভূতাত্ত্বিক ভাষায় ইয়ারড্যাং বলা হয়ে থাকে, যা মূলত দীর্ঘ সময় ধরে বাতাসের ক্ষয়কাজে সৃষ্ট হয়। নাসার তথ্য অনুযায়ী মাউন্ট শার্পের উত্তর-পশ্চিম অংশে এই ধরনের ভূপ্রকৃতির স্তর প্রায় ১৬ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত রয়েছে। প্রায় তিন মাইল উঁচু এই মাউন্ট শার্পে এক দশকেরও বেশি সময় ধরে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করছে কিউরিওসিটি রোভার। সম্প্রতি রোভারটি প্রায় এক কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে, যা মঙ্গল গ্রহে এ যাবৎকালের যেকোনো রোভারের জন্য একটি অনন্য উচ্চতার রেকর্ড।

নাসার দুটি গাড়ি আকৃতির রোবটযান কিউরিওসিটি ও পারসিভিয়ারেন্স গত কয়েক বছর ধরে লাল গ্রহের বুকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে। এই রোবটগুলোর মূল লক্ষ্য হলো মঙ্গল গ্রহে অতীতে কখনো অণুজীব বা প্রাণের অস্তিত্বের উপযোগী পরিবেশ বিরাজ করছিল কি না, তার সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক প্রমাণ খুঁজে বের করা। ২০১২ সালের আগস্টে গেইল গহ্বরে অবতরণ করার পর থেকে কিউরিওসিটি নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছে এবং ইতোমধ্যে ড্রিল মেশিনের সাহায্যে বিভিন্ন শিলার প্রায় ৪২টি গুঁড়ার নমুনা সংগ্রহ করেছে। মাউন্ট শার্পে আরোহণের পাশাপাশি এই অভিযানের অংশ হিসেবে বিজ্ঞানীরা সেখানে বেশ কিছু জৈব যৌগের উপস্থিতি শনাক্ত করতে পেরেছেন, যা মহাকাশ গবেষণায় এক বিরাট অগ্রগতি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page