বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
ভাষার চেনা ছক ভেঙেছেন অ্যান কার্সন লংমার্চ কেবল কর্মসূচি নয়, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক হুংকার: মিয়া গোলাম পরওয়ার ১৫ বছর নিউমুরিং টার্মিনাল পরিচালনা করবে দুবাইয়ের ডিপি ওয়ার্ল্ড, চুক্তি সই কোরআন শিক্ষাকে উৎসাহিত করতে কাজ করবে সরকার: রাষ্ট্রপতি আপত্তি ও বিক্ষোভের মুখেই দুবাইয়ের কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল উৎপাদনের চূড়ান্ত অনুমোদন পেল রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট শিক্ষকদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক, হবেই: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী সংসদীয় সহযোগিতা বাড়াতে ব্রিটিশ আইনপ্রণেতাদের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান কর্মস্থলে অনুপস্থিত উপসচিব চাকরি থেকে বরখাস্ত স্থানীয় সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা সোমবার

আপত্তি ও বিক্ষোভের মুখেই দুবাইয়ের কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: চট্টগ্রাম বন্দরের একটি গুরুত্বপূর্ণ টার্মিনাল বিদেশি প্রতিষ্ঠানের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিগত কার্যক্রম নিষিদ্ধআওয়ামী লীগ সরকারের আমলের মতো বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসনের সময়েও এই বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষরের উদ্যোগ নেওয়া হয়। তবে বন্দর রক্ষা ও দেশীয় স্বার্থ রক্ষার দাবি জানিয়ে শুরু থেকেই ফুঁসে ওঠেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। তাদের জোরালো প্রতিবাদের মুখে একপর্যায়ে সরকারের নীতিনির্ধারক মহল এই কার্যক্রম স্থগিত রাখতে বাধ্য হয়েছিল।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইভিত্তিক একটি শীর্ষস্থানীয় লজিস্টিকস কোম্পানির সঙ্গে এই চুক্তি সম্পাদনের আলোচনা চলছে। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দরের অপারেশনাল দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের যুক্তি দেখিয়ে দীর্ঘদিন ধরে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চাইছে কর্তৃপক্ষ। তবে কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এমন একটি স্থাপনা বিদেশি প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়ায় দেশের সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

এর আগে শ্রমিকদের আন্দোলনের তীব্রতা বাড়লে বন্দর কতৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় সাময়িকভাবে চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া থেকে পিছু হটেছিল। কিন্তু সম্প্রতি পুনরায় সেই কার্যক্রম গতি পাওয়ার পর নতুন করে অসন্তোষ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, জাতীয় স্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি বাস্তবায়িত হলে তারা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে পিছপা হবেন না। বন্দর রক্ষা কমিটির নেতারা মনে করেন, দেশীয় জনবল ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই এই টার্মিনালটি সফলভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।

সার্বিক এই পরিস্থিতিতে সরকারের পক্ষ থেকে এখনও কোনো চূড়ান্ত বা বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। একদিকে বন্দরের আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ঘটানোর তাগিদ রয়েছে, অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও শ্রমিকদের অধিকার রক্ষার প্রশ্নটি বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। বন্দর ব্যবহারকারী ব্যবসায়ী ও অংশীজনরা আশা করছেন, সরকার সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে এমন একটি ভারসাম্যপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেবে যা দেশের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page