বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানে হামলার পথ খুঁজছেন ট্রাম্প নেদারল্যান্ডস উচ্চশিক্ষায় দিচ্ছে স্কলারশিপ, আবেদন যেভাবে বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে ১ হাজার কোটি টাকার ঋণ, সর্বোচ্চ ১০ লাখ যেভাবে পাবেন কেসি কলেজে ছাত্রদল-শিবিরের উত্তেজনা, শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ কেইনের রেকর্ড গড়া রাতে ইংল্যান্ডের অনায়াস জয় ‘এক মিনিটে দুই ট্রেন গায়েব’ টিকিট না পেয়ে ফেসবুকে আশফাক নিপুনের ক্ষোভ গণরুম-গেস্টরুম নিপীড়নবিরোধী স্মৃতিস্তম্ভ ‘আর্তনাদ’ উদ্বোধন ডাকসুর শিশু–কিশোরদের স্থূলতায় ওষুধ নয়, জীবনযাপন পরিবর্তনে জোর দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় সারা দেশে আনসার-ভিডিপির আগাম প্রস্তুতি রিকশা পেইন্টিংকে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে ইউনেস্কো ও উইন্ডমিল অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেডের সমঝোতা চুক্তি

গণরুম-গেস্টরুম নিপীড়নবিরোধী স্মৃতিস্তম্ভ ‘আর্তনাদ’ উদ্বোধন ডাকসুর

Reporter Name

জাতীয় ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা রাজনৈতিক গণরুম ও গেস্টরুম সংস্কৃতির নামে শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের ইতিহাস সংরক্ষণ করতে একটি নতুন স্মৃতিস্তম্ভ উন্মোচন করা হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের উদ্যোগে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে ‘আর্তনাদ-নীরব ক্রন্দন’ নামের এই ভাস্কর্যটি স্থাপন করা হয়। এই নিপীড়নের অন্ধকার অধ্যায়টি স্মরণ রাখার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে এর ভয়াবহতা তুলে ধরাই এই নান্দনিক স্থাপনার মূল উদ্দেশ্য।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের শাহাদাতবার্ষিকীর দিনেই এই স্মৃতিস্তম্ভটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। আবরার ফাহাদের বাবা মোকে বরকত উল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম এটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডাকসুর বিভিন্ন সম্পাদক ও হল সংসদের নেতাসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। স্মৃতিস্তম্ভটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন ডাকসুর জিএস এস এম ফরহাদ এবং এর নামকরণ করেন এজিএস মহিউদ্দিন খান। এছাড়া স্থপতি নাজমুল ও তার দল এই স্মৃতিস্তম্ভটির নান্দনিক নকশা তৈরি করেছেন।

অনুষ্ঠানে আবেগঘন বক্তব্যে আবরার ফাহাদের বাবা বরকত উল্লাহ বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতার কারণে তার সন্তানকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল এবং একজন বাবা হিসেবে সেই কষ্ট কখনো মুছে যাওয়ার নয়। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম তার বক্তব্যে বলেন, আবাসিক হলের এই অপসংস্কৃতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের ওপর রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও নির্যাতন চালানো হতো, যা অসংখ্য তরুণের জীবনকে বিপন্ন করেছে। এই স্মৃতিস্তম্ভটি সেই ভয় ও নিপীড়নের ইতিহাস মনে করিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জোরালো করবে।

স্থাপত্যটির নকশা ও ধারণাপত্রে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে জুনিয়র শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো নির্যাতন ও ভয়ভীতির বাস্তব চিত্র। ত্রিভুজাকার উল্লম্ব স্ল্যাব দিয়ে গেস্টরুমের আবদ্ধ দেয়াল ও সংকুচিত পরিসরকে প্রতীকায়িত করা হয়েছে, যেখানে বহু শিক্ষার্থী নিপীড়নের শিকার হয়েছেন। স্মৃতিস্তম্ভটির কালো অংশ অন্ধকার ও মানসিক চাপ এবং নিচের দিক থেকে উঠে আসা সাদা হাতগুলো নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও মুক্তির আকুতি প্রকাশ করছে। এছাড়া এর গায়ে খোদাই করা খণ্ডিত শব্দ ও সংলাপ গেস্টরুমের সেই ভীতিকর পরিবেশের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page