বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
সকালে নেতৃত্ব ছাড়লেন হারমানপ্রীত, রাতে অধিনায়ক হলেন স্মৃতি দক্ষিণ কোরিয়া থেকে রাশিয়ায় জ্বালানি পাঠানোর তথ্য ফাঁস আন্তর্জাতিক গণিত ও বিজ্ঞান অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের প্রথম সোনা, ১৬ জনের ১৫ জনই পদকজয়ী ১০ অক্টোবর ঢাকায় ‘রিয়েল এস্টেট কানেক্ট বাংলাদেশ’, চলছে নিবন্ধন শ্রেয়াসের প্রথম সেঞ্চুরি, ৩২ বল হাতে রেখেই জয় ভারতের নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাস, দিনে ৫০-৭০ লাখ ঘনফুট উত্তোলনের আশা মেসির জার্সিটা আমি নেবই, মায়ের কসম: বেনিনি ডিফেন্ডার নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, প্রতিদিন মিলতে পারে ৭০ লাখ ঘনফুট বাংলাদেশে হাইব্রিড গাড়ি বানাবে টয়োটা, উৎপাদন শুরু ২০২৭ সালে কক্সবাজারে মোটরসাইকেল ভাড়া করে ঘুরতে পারবেন পর্যটকেরা, ইয়ামাহার নতুন উদ্যোগ

নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাস, দিনে ৫০-৭০ লাখ ঘনফুট উত্তোলনের আশা

Reporter Name

অর্থনীতি ডেস্ক: নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলায় নতুন একটি গ্যাস কূপের সন্ধান পাওয়া গেছে যা দেশের জ্বালানি খাতের জন্য অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক একটি খবর। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী খননকাজ শেষ হওয়ার পর কূপে স্থাপন করা পাইপের মুখে আগুন জ্বেলে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়। রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড বা বাপেক্সের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এই কূপ খনন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল।

সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বড় চারিগাঁও গ্রামে এই মূল্যায়ন কাম উন্নয়ন কূপটির অবস্থান। এর আগে একই গ্যাসক্ষেত্রের অধীনে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ এলাকায় আরও তিনটি কূপ খনন করা হয়েছিল এবং নতুন এই কূপটিও একই ভূগর্ভস্থ কাঠামোর অংশ হওয়ায় এটিকে সুন্দলপুর-৪ নামে নামকরণ করা হয়েছে। গত জুলাই মাসের শেষের দিকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই কূপটির খনন কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়েছিল।

প্রকল্পের প্রকৌশলী ও প্রযুক্তিগত দল জানিয়েছে, কূপটিতে অত্যাধুনিক ডিরেকশনাল ওয়েল পদ্ধতি এবং আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ করে প্রায় দেড় হাজার মিটার পর্যন্ত গভীরতা পর্যন্ত সফলভাবে খনন করা হয়েছে। এর মধ্যে সুনির্দিষ্ট গভীরতার একটি স্তরে বিপুল পরিমাণ গ্যাসের মজুত শনাক্ত করা হয়। পাইপলাইন স্থাপনের কাজ শেষ হলে এই গ্যাস পরবর্তীতে জাতীয় জ্বালানি গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পর বর্তমানে ড্রিল স্টেম টেস্ট বা ডিএসটি পরীক্ষা পরিচালনার কাজ চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এই পরীক্ষা পুরোপুরি সম্পন্ন হলে কূপটিতে মোট ঠিক কত পরিমাণ গ্যাস মজুত রয়েছে এবং এর প্রকৃত উত্তোলন সক্ষমতা কত, সে বিষয়ে স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে। তবে প্রাথমিক প্রাক্কলন অনুযায়ী, এই কূপ থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০ থেকে ৭০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা যাবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page