মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪১ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
আবারও ট্রিলিয়নিয়ার হলেন ইলন মাস্ক, বেড়েছে টেসলা ও স্পেসএক্সের শেয়ারের দাম ফুলপুরে ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর সন্তান প্রসব, পিতৃত্বের স্বীকৃতি দাবি সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান গ্রেপ্তার নাইজেরিয়ায় সামরিক উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ৩২ যাত্রীর মৃত্যু ভেঙে পড়তে পারে ইসরায়েল রাষ্ট্র, গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা: সিআইএ–এর প্রতিবেদন ৭০ বছর পর আসাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হলো প্রথম নৌযান জন্মসনদে কারও নাম ‘লক্জ্ক্’, কারও ‘ক্‌জ্‌ক্‌ল্‌জ্‌’, কারও ‘দতককা’, ভোগান্তি নাগরিকের সৌদিতে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-পাকিস্তান এআই–নির্ভর প্রেম–ভালোবাসার সম্পর্কের ওপর চীনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ইতালির চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা সিনেমা বাংলাদেশের ‘মাস্টার’

৭০ বছর পর আসাম থেকে ঢাকার উদ্দেশ্য রওনা হলো প্রথম নৌযান

Reporter Name

ভারত স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জলপথে আসাম থেকে সরাসরি ঢাকার উদ্দেশে একটি পণ্যবাহী চালান পাঠানো হয়েছে। ডিব্রুগড়ের বগিবিল টার্মিনাল থেকে ছেড়ে যাওয়া এই নৌযানটি দুই দেশের অভ্যন্তরীণ নৌযোগাযোগের ইতিহাসে একটি নতুন মাইলফলক সৃষ্টি করেছে। দীর্ঘ প্রায় ৭০ বছর আগে এই অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোর কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, যা পুনরায় চালুর মাধ্যমে এক যুগান্তকারী অধ্যায়ের সূচনা হলো।

ডিব্রুগড়ের বগিবিল টার্মিনাল থেকে ৫৪০ টন মিথানল নিয়ে ডিএলবি পাতকাই নামের একটি বার্জ বাংলাদেশের রাজধানীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। ভারতের কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ চলাচল ও নৌপথবিষয়ক মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল আনুষ্ঠানিকভাবে এই বার্জটির যাত্রা উদ্বোধন করেন। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মাও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই ঐতিহাসিক অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন। আসাম পেট্রো-কেমিক্যালস লিমিটেডের উৎপাদিত এই রাসায়নিক পণ্যটি ঢাকার পানগাঁও অভ্যন্তরীণ নৌবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

ভারতের অভ্যন্তরীণ জলপথ-২ অর্থাৎ ব্রহ্মপুত্র নদ পেরিয়ে বার্জটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে পৌঁছাবে। সেখান থেকে দুই দেশের প্রটোকল রুট ব্যবহার করে যমুনা, ধলেশ্বরী ও বুড়িগঙ্গা নদী হয়ে এটি ঢাকায় প্রবেশ করবে। বগিবিল থেকে ঢাকার পানগাঁও পর্যন্ত এই সম্পূর্ণ জলপথের দূরত্ব প্রায় এক হাজার তিনশ কিলোমিটার, যার প্রায় সাতশ আটষট্টি কিলোমিটার পথ ভারতের ভেতর দিয়ে অতিক্রম করতে হবে।

উল্লেখ্য, উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়েও ডিব্রুগড় ছিল পূর্ব ভারতের অন্যতম ব্যস্ত একটি নদীবন্দর যেখান দিয়ে নিয়মিত স্টিমার চলাচল করত। তবে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ এবং পরবর্তী সময়ে ১৯৫০ সালের প্রলয়ংকরী ভূকম্পনের কারণে এই অঞ্চলের নদীবন্দরগুলোর কার্যকারিতা নষ্ট হয়ে যায়। অবশেষে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপে এই হারানো ঐতিহ্য ফিরে এসেছে এবং দুই দেশের মধ্যকার বাণিজ্যে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page