সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
হুতি নিয়ন্ত্রিত এলাকা উদ্ধারে সর্বাত্মক সামরিক অভিযানের ঘোষণা ইয়েমেনের, পাশে সৌদি প্রিজন ভ্যান খুলে দেন এসআই প্রদীপ, প্রাইভেট কারে চলে যান পিচ্চি রাজা বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানায় ১৪২ পদে চাকরি, নিয়োগ পেতে করুন আবেদন তালায় আসামি ছিনিয়ে নিয়ে পুলিশকে অবরুদ্ধ, পরে উদ্ধার হঠাৎ নায়িকার গালে হাত, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল করেছে প্রসিকিউশন আওয়ামী লীগের কারাবন্দী নেতার জন্য প্রত্যয়নপত্র দেওয়া বিএনপির সেই দুই নেতার পদ স্থগিত আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে আজ যাচ্ছেন নাজমুল ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে প্রসিকিউশনের আপিল মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: হাসানুল হক ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা: হাসানুল হক ইনুর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল

Reporter Name

জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় বাতিল করে তাঁর মৃত্যুদণ্ড চেয়ে আপিল আবেদন করা হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষের প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন জমা দেওয়া হয়। প্রসিকিউটর গাজী এম এইচ তামিম গণমাধ্যমকে এই আপিল দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল।

গত ৩০ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন। কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে ট্রাইব্যুনাল হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন এবং একই সঙ্গে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করেন। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে গত ২০ সেপ্টেম্বর এই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। এই মামলার একমাত্র আসামি হিসেবে হাসানুল হক ইনু বর্তমানে কারাবন্দী জীবন কাটাচ্ছেন।

মামলার বিচারিক কার্যক্রমের দীর্ঘ ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, গত বছরের ২৫ মার্চ ইনুর বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর তদন্ত সংস্থা তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রসিকিউশনের নিকট জমা দেয়। পরবর্তী সময়ে গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর প্রসিকিউশন আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে ট্রাইব্যুনাল তা আমলে নেন এবং ওই বছরের ২ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। মামলাটিতে অভিযোগ প্রমাণিত করতে রাষ্ট্রপক্ষে তদন্ত কর্মকর্তাসহ মোট ১০ জন সাক্ষী সাক্ষ্য প্রদান করেন।

অন্যদিকে আসামিপক্ষের সুরক্ষায় দুজন সাফাই সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য দেন। উভয় পক্ষের দীর্ঘ আইনি যুক্তি উপস্থাপন শেষে চলতি বছরের ১৩ মে মামলাটি রায় ঘোষণার জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। ট্রাইব্যুনালের দেওয়া ১০ বছরের সাজার রায়ে অসন্তুষ্ট হয়ে প্রসিকিউশন এখন উচ্চ আদালতে কঠোর শাস্তির দাবিতে আপিল করল। আপিল বিভাগ এই বিষয়ে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া পরিচালনা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page