
সব বয়সের মানুষের জন্যই ডিম একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর ও উপকারী খাবার হিসেবে পরিচিত। পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসকরা নিয়মিত ডায়েটে ডিম রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। তবুও সাধারণ মানুষের মনে এই পরিচিত খাবারটি নিয়ে নানা ধরনের সংশয় ও ভ্রান্ত ধারণা রয়েছে। বিশেষ করে ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খায়।
অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে, নিয়মিত ডিম খেলে শরীরে ক্ষতিকর কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যায় কি না। পাশাপাশি, দিনে কয়টি ডিম খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত এবং অতিরিক্ত ডিম খাওয়া হৃদযন্ত্রের কার্যকারিতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে কি না, তা নিয়ে দীর্ঘদিনের আলোচনা রয়েছে। এসব বিষয়ে সঠিক ধারণা না থাকায় অনেকেই পুষ্টিগুণে ভরপুর এই খাবারটি থেকে দূরে থাকেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমের কুসুমে চর্বি ও কোলেস্টেরল থাকলেও পরিমিত পরিমাণে তা খেলে বেশিরভাগ মানুষের হৃদযন্ত্রের বড় কোনো ক্ষতি হয় না। বরং ডিমে থাকা উচ্চমানের প্রোটিন, ভিটামিন এবং বিভিন্ন খনিজ উপাদান শরীরের সামগ্রিক পুষ্টির চাহিদা পূরণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে শরীরের শারীরিক অবস্থা ভেদে খাদ্যাভ্যাসে সামান্য তারতম্য হতে পারে।
তাই সঠিক তথ্য জেনে এবং নিজের শারীরিক সক্ষমতা অনুযায়ী খাদ্যতালিকায় ডিম অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী সুষম খাদ্যতালিকা মেনে চললে ডিমের পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ লাভ করা সম্ভব এবং এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়ানো যায়।