বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০২ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
১০ মাসের শিশুকে কোলে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে, গিয়ে শুনলেন তালাক রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে ৬৫ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, গ্রেপ্তার ১ খালে আটকা পড়া এক হাঙর নিয়ে শহরজুড়ে মাতামাতি, পর্যটকের ভিড় রাড্ডা হামলায় নাম, পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী বাসের ভেতরে সন্তান প্রসব, উপহার গেল নবজাতকের বাড়িতে কক্সবাজারে হোটেলের শৌচাগার থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ৩ মাস ধরে নিখোঁজ স্ত্রী, সন্ধান মিলল কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিওতে দৌলতপুর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলি; নিহত ১ মা গৃহপরিচারিকা, থাকেন ভাড়া বাসায়, স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে নিয়োগ চলন্ত বাসে শিশুর জন্ম, মা-ছেলের আজীবন ভাড়া ফ্রি

মা গৃহপরিচারিকা, থাকেন ভাড়া বাসায়, স্থায়ী ঠিকানা না থাকায় আটকে গেল শিক্ষক পদে নিয়োগ

Reporter Name

ঝিনাইদহ শহরের কলাবাগান এলাকার একটি ভাড়া বাসায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন মিশন আচার্য। গৃহপরিচারিকার কাজ করে তাঁর মা অত্যন্ত কষ্টের মধ্য দিয়ে তাঁকে উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলেছেন। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর তিনি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে পরীক্ষায় অংশ নেন। মেধার স্বাক্ষর রেখে তিনি এই পদে নিয়োগের জন্য চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্তও হন।

তবে নিজের কোনো স্থায়ী ঠিকানা বা ভিটেমাটি না থাকায় তাঁর ভাগ্যে এখনো জোটেনি শিক্ষকতার কাঙ্ক্ষিত নিয়োগপত্র। চাকরির আবেদনে তিনি বর্তমান বসবাসের ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন কারণ শৈশবেই বাবা তাঁদের ছেড়ে চলে যান এবং মা অন্যের বাড়িতে কাজ করে সংসার চালান। তাঁর সঙ্গে সুপারিশপ্রাপ্ত বাকি প্রার্থীরা ইতিমধ্যেই নিয়োগপত্র পেলেও ঠিকানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তাঁকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।

নিয়োগপত্র আটকে যাওয়ার পর থেকে মিশন আচার্য বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যোগাযোগ করলে তাঁকে জানানো হয় যে স্থায়ী ঠিকানা না থাকার বিষয়টি সদর দপ্তরে আটকে আছে। তবে তাঁর এক মামা ২০২২ সালে সদর উপজেলার পণ্ডিতপুর গ্রামে তাঁকে বাড়ি করার জন্য দুই শতক জমি দান করলেও অর্থাভাব ও ঘর না থাকায় সেখানে এখনো স্থায়ীভাবে বসবাস করা সম্ভব হয়নি।

এদিকে মিশন আচার্যের এমন পরিস্থিতিতে তাঁর সহপাঠী ও এলাকাবাসী গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক জানিয়েছেন যে বিষয়টি ইতিমধ্যে লিখিতভাবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে যে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য সমাধানের মাধ্যমে এই মেধাবী তরুণের শিক্ষক হিসেবে যোগদানের পথ সুগম হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page