বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
‘যে-ই আমার কথা শুনছেন, আমাদের সাহায্য দরকার’: হঠাৎ ১৭ হাজার ফুট নামার পর যেভাবে রক্ষা পেল ফ্লাইট ১০৭৩ সেটেলমেন্ট অফিসে ঘুষ লেনদেন, গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়ল টাকা নেওয়ার দৃশ্য ১০ মাসের শিশুকে কোলে নিয়ে স্বামীর বাড়িতে, গিয়ে শুনলেন তালাক রসমালাইয়ে চেতনানাশক মিশিয়ে ৬৫ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার লুট, গ্রেপ্তার ১ খালে আটকা পড়া এক হাঙর নিয়ে শহরজুড়ে মাতামাতি, পর্যটকের ভিড় রাড্ডা হামলায় নাম, পদত্যাগ করলেন এমপি ফেরদৌসী বাসের ভেতরে সন্তান প্রসব, উপহার গেল নবজাতকের বাড়িতে কক্সবাজারে হোটেলের শৌচাগার থেকে নারীর গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার ৩ মাস ধরে নিখোঁজ স্ত্রী, সন্ধান মিলল কনটেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিওতে দৌলতপুর সীমান্তে মাদক ও চোরাচালান নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, গুলি; নিহত ১

যেসব লক্ষণ দেখে বুঝবেন হার্টে সমস্যা

Reporter Name

দৈনন্দিন সাধারণ কাজ করতে গিয়ে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক ক্লান্তি কিংবা সামান্য হাঁটাহাটিতে বুক ভারী হয়ে আসার মতো উপসর্গগুলোকে কেবল বয়সের ছাপ ভেবে এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই। মানবদেহের অন্যতম সংবেদনশীল এই হৃদ্‌যন্ত্র যখন নানাবিধ সমস্যায় জর্জরিত হতে শুরু করে, তখন শরীর বিভিন্ন সূক্ষ্ম ইঙ্গিত দিয়ে থাকে। রক্তনালিতে চর্বি জমে সরু হয়ে যাওয়ার কারণে অনেক সময় পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হয়, যা পরবর্তীতে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই এসব লক্ষণ দেখা দিলে তা অবহেলা না করে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

বয়সের তুলনায় শারীরিক সক্ষমতা হঠাৎ কমে যাওয়া, সিঁড়ি ভাঙার সময় দম আটকে আসা কিংবা অল্প পরিশ্রমেই অতিরিক্ত হাঁপিয়ে পড়ার মতো বিষয়গুলো হৃদ্‌রোগের পূর্বসংকেত হতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, হাঁটার সময় বুকে চাপ অনুভব করা, অকারণে মাথা ঘোরানো, অতিরিক্ত ঘাম হওয়া কিংবা পা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলোও হার্টের জটিলতার ইঙ্গিত দেয়। তবে এই ধরনের উপসর্গ মানেই যে নিশ্চিত হৃদ্‌রোগ, তা নয়; ফুসফুসের জটিলতা, রক্তস্বল্পতা কিংবা থাইরয়েডের সমস্যার কারণেও এমন হতে পারে। তাই সঠিক রোগ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

যাঁদের পরিবারে হৃদ্‌রোগের বংশগত ইতিহাস রয়েছে কিংবা যাঁরা ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন ও ধূমপানের মতো ঝুঁকিতে আছেন, তাঁদের বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। অনেক সময় ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে হার্টের ব্যথার লক্ষণগুলো স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় না, যার ফলে ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়। তাই সামান্য অস্বস্তি অনুভূত হলেই চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

হৃদ্‌রোগ শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে রোগীর শারীরিক ইতিহাস ও লক্ষণ পর্যালোচনার পাশাপাশি ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম বা ট্রেডমিলের মতো পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে নিজে অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা করানোর কোনো প্রয়োজন নেই। নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, সচেতন জীবনযাপন, সুষম খাবার গ্রহণ এবং ধূমপান পরিহার করার মাধ্যমে হৃদ্‌রোগের মতো মারাত্মক ঝুঁকি অনেকাংশেই এড়ানো সম্ভব।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page