বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:২২ পূর্বাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ইন্দ্রনীলের বিরুদ্ধে দুর্গাপূজা ঘিরে ৫০-৬০ কোটি রুপি আত্মসাতের অভিযোগ

Reporter Name

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি ও সংস্কৃতি অঙ্গনে বড় ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। কলকাতার দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি রুপি আত্মসাতের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের সাবেক পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এবং পরিচিত অভিনেতা ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের বিরুদ্ধে। এই গুরুতর আর্থিক অনিয়মের ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে তদন্ত শুরু করেছে দেশটির কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি।

তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই পুরো প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ইতিমধ্যে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এই মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে সম্প্রতি ইন্দ্রনীল সেনের বাসভবন ছাড়াও তাঁর বেশ কয়েকজন ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও ব্যবসায়িক সহযোগীর মোট ১০টি ঠিকানায় আকস্মিক অভিযান পরিচালনা করেছেন ইডির কর্মকর্তারা। প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এই তল্লাশি অভিযান চালানো হয় বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

অভিযোগের বিবরণে প্রকাশ পেয়েছে যে, বিশ্বখ্যাত সংস্থা ইউনেসকোর নাম ও লোগো অবৈধভাবে ব্যবহার করে এই বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইন্দ্রনীল সেন ও তাঁর স্ত্রী ‘মাস আর্ট’ নামের একটি সংস্থার মাধ্যমে নিজেদের ইউনেসকোর অনুমোদিত প্রতিনিধি হিসেবে পরিচয় দিতেন। তারা দাবি করতেন যে, কলকাতার প্রায় এক হাজার দুর্গাপূজার মধ্য থেকে বাছাই করা সেরা ২৪টি পূজার আয়োজন দেখানোর সুযোগ পাইয়ে দেবেন, আর এই অজুহাতেই বিভিন্ন মহეল থেকে কোটি কোটি রুপি সংগ্রহ করা হয়।

তবে এই অভিযোগের বিষয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছে স্বয়ং ইউনেসকো কর্তৃপক্ষ। আন্তর্জাতিক এই সংস্থাটি স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছে যে, দুর্গাপূজার উৎসব বা অন্য কোনো অনুষ্ঠান নিয়ে ইন্দ্রনীল সেন বা তাঁর পরিচালিত সংস্থার সঙ্গে তাদের বিন্দুমাত্র কোনো যোগাযোগ ছিল না। এমনকি অভিযুক্তদের ‘মাস আর্ট’ সংগঠনটি তাদের কোনো ধরনের অনুমোদন বা স্বীকৃতিপ্রাপ্তও নয়। এই প্রতারণার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ সত্য উদঘাটন করতে ইডির কর্মকর্তারা এখন অভিযুক্তদের ব্যাংক হিসাব এবং আর্থিক লেনদেনগুলো নিবিড়ভাবে খতিয়ে দেখছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page