মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৩০ অপরাহ্ন
নোটিশঃ
​দৈনিক মানব দর্পণ মিডিয়া তালিকাভুক্ত (প্রক্রিয়াধীন) নিউজ পোর্টালে সারা বাংলাদেশে সাংবাদিক নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আগ্রহীদের ০১৭১০-১১৯৭১১ (WhatsApp) অথবা office@manobdarpan.com ইমেইলে বায়োডাটা পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
শিরোনাম :
তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে নতুন করে কী হচ্ছে বিমানবন্দর তৃতীয় টার্মিনালের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাৎ: তারিক সিদ্দিককে দুদকে তলব দেশের নাগরিক হিসেবে আমি ন্যায়বিচার চাই: তানজিন তিশা বাড়িতে মেয়ের বিয়ের ডামাডোল, সড়কে প্রাণ গেল বাবার ২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেনেসি নিজের মৃত্যুর ভুয়া খবর নিয়ে পাকিস্তানি ক্রিকেটারের মজা দুই বড় জাহাজের সংঘর্ষে মাঝখানে পড়ে যায় লাইটার, শ্রমিকের চিৎকার—‘আল্লাহরে, ইন্না লিল্লাহ’ গাজা অভিযানের সময় ইসরাইলকে অস্ত্রের যন্ত্রাংশ দিয়েছিল ভারত দিল্লির একজন পুরুষের দেহে গর্ভাশয় কীভাবে? সারা দুনিয়ায় ২০২৬, কিন্তু ইথিওপিয়াতে কেন ২০১৯ সাল

২০০ বছরের ইতিহাসে প্রথম নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে যাচ্ছে মার্কিন অঙ্গরাজ্য টেনেসি

Reporter Name

যুক্তরাষ্ট্রের টেনেসি অঙ্গরাজ্যে দীর্ঘ দুই শতাব্দীরও বেশি সময় পর প্রথমবারের মতো কোনো নারী বন্দির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রায় তিন দশক আগে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের দায়ে দণ্ডিত ক্রিস্টা গেইল পাইকের ফাঁসির রায় কার্যকরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। স্থানীয় একটি সংশোধনাগারে প্রাণঘাতী ইনজেকশন প্রয়োগের মাধ্যমে তার এই দণ্ড কার্যকর করার কথা রয়েছে।

সম্প্রতি টেনেসির গভর্নর বিল লি এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, দণ্ডিত ব্যক্তির আইনজীবীদের করা ক্ষমার আবেদন এবং মামলার সামগ্রিক নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনার পর তিনি আদালতের রায় বহাল রেখেছেন। গভর্নর স্পষ্ট করে জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি এই আইনি প্রক্রিয়ায় কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করবেন না। ফলে নির্ধারিত সময়েই তার দণ্ড কার্যকরের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।

পঞ্চাশ বছর বয়সী ক্রিস্টা গেইল পাইক ১৯৯৫ সালে নক্সভিলে কোলিন স্লেমার নামক এক ব্যক্তিকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ছিলেন। এই অপরাধের দায়ে পরবর্তীতে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেয়। সেই থেকে তিনি টেনেসি অঙ্গরাজ্যের একমাত্র নারী বন্দি হিসেবে ডেথ রোতে দীর্ঘ কারাবাস কাটাচ্ছেন।

এদিকে গভর্নরের এমন সিদ্ধান্তের পর তীব্র হতাশা প্রকাশ করেছেন দণ্ডিতের আইনি লড়াইয়ের দায়িত্বে থাকা আইনজীবীরা। তাদের মতে, এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হলে টেনেসি এমন একটি বিরল নজির স্থাপন করবে, যা দুইশ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে কোনো অঙ্গরাজ্যে ঘটেনি। যদিও এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে একটি আবেদন এখনো বিচারাধীন রয়েছে, তবুও আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী কেবল আবেদন ঝুলে থাকলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে মৃত্যুদণ্ড স্থগিত হয় না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *


Our Like Page